টটেনহ্যামের হটস্পার্সের ঘরের মাঠে পাত্তা না দিয়ে, জয় নিয়েই ফিরে আসলো আর্সেনাল। ম্যাচে ২-০ গোলে জয়ের দেখা পায় তারা। ফলে টেবিল লিডাররা ৪৭ পয়েন্ট নিয়ে, নিজেদের শীর্ষস্থান আরো জোরদার করলো গার্নাররা।
ম্যানচেষ্টার ডার্বিতে গার্দিওয়ালার দল পয়েন্ট নিতে হয়েছে ব্যর্থ। ফলে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলটির সাথে নিজেদের ব্যবধান বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ ছিলই আর্তেতার দলের। মার্টিন ওডেগার্ডরা সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে পূর্ণ পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়েন।
ম্যাচের প্রথম গোলটি আসে হটস্পার্সের গোলরক্ষক লরিসের ভুলে। বল জালে ঢুকাতে বাইলাইনের একটু ওপর থেকে শট নেয় বুকায়ো সাকা। সেই বল লরিসের হাতে লেগে বল জালে ঢুকে পরলে, ১৪তম মিনিটেই লিড পায় দ্যা গার্নাররা।
ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে আবারো ব্যবধান বাড়ায় আর্সেনাল। ডি-বক্সের বাহির থেকে প্রায় ২০ গজ দূর থেকে নেওয়া মার্টিন ওডেগার্ডের নেওয়া শটটি লরিসকে ফাঁকি দিয়েই জালে ঢুকে যায়। প্রথম অর্ধে নেওয়া দুই গোলের ব্যবধানই আর্সেনালকে পূর্ণ পয়েন্ট এনে দেয়।
প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে হ্যারি কেইনের করা হেড ফিরিয়ে দেন আর্সেনাল গোলরক্ষক র্যামসডেল। ফলে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় কেইনরা।
ম্যাচে দ্বিতীয় অর্ধে আক্রমণ বাড়ায় টটেনহ্যাম, ৫০তম মিনিটে কেইনের দেওয়া পাসে রায়ান সেসেগনন বল জালে ঢুকানোর চেষ্টা করলেও বাধা হয়ে দাঁড়ান আর্সেনাল গোলরক্ষক।
এরপর বাকি সময়ে দুই দলই গোলের চেষ্টা করে গেলেও, আর কোনো গোল হয়নি। ফলে ঘরের মাঠে আন্তোনিও কন্তের দলকে হারিয়ে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়েন আর্সেনাল।

এই জয়ে আবারো জয়ের ধারায় ফিরলো গার্নাররা। নিজেদের শেষ ম্যাচে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের কাছে পয়েন্ট হারায় তারা। তবে এজন্য সমস্যা হয়নি তাদের, কারণ সিটিজেনরাও নিজেদের শেষ ম্যাচে পয়েন্ট হারিয়েছে ম্যানচেষ্টার ডার্বিতে।
আরও পড়ুন: চার রত্ন নিয়েও রেনের কাছে হারলো পিএসজি
ফলে ১৮ ম্যাচ খেলে আর্সেনালের পয়েন্ট এখন ৪৭, সমান সংখ্যক ম্যাচ খেলে ৮ পয়েন্ট পিছিয়ে থেকে সিটির পয়েন্ট ৩৯।
একই দিনে জয়ের ধারায় ফিরেছে চেলসি, কাই হাভেরটজের একমাত্র গোলে ঘরের মাঠে ক্রিস্টাল প্যালেসকে ১-০ গোলের ব্যবধানে জয়ের দেখা পায় তারা। এই জয়ে ১৯ ম্যাচ খেলে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দশম স্থানে রয়েছে তারা।
একাত্তর/আরএ
