আর্থিক অনিয়মের দায়ে দুই বছরের জন্য বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগকে সব ধরনের ফুটবল কার্যক্রম থেকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্তা- ফিফা। বাফুফে থেকে তার নামফলকও সরানো হয়েছে।
তবে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার রায়কে ‘ত্রুটিপূর্ণ ও অনুমাননির্ভর’ বলে উল্লেখ করেছেন সোহাগ। শনিবার তাঁর আইনজীবী দেয়া এক বিবৃতিতে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলায় হয়েছে, ফিফার সিদ্ধান্ত শুধু ত্রুটিপূর্ণই নয়; বাফুফের বিপক্ষে পক্ষপাতদুষ্ট রায়।
ফিফার রায়ের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালতে (সিএএস) আপিল করা হবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন সোহাগের আইনজীবী।
বিবৃতিতে বলা হয়, শুনানিতে বাফুফে টাকা-পয়সা লেনদেনের জন্য ফিফার দেওয়া অনুমোদনের নথিপত্র পেশ করা হলেও অ্যাডজুডিকেটরি চেম্বার অবৈধভাবে এসব গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র আমলে না নিয়ে রায়টি অনুমোদন করে। আর এতেই স্পষ্ট হয় যে, সিদ্ধান্তটি শুধু ভুল ও ত্রুটিপূর্ণ নয় বরং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে এমন রায় দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ফিফার পাঠানো তহবিলের অপব্যবহার করা হয়েছে বা বেঁধে দেওয়া নিয়মের মধ্যে ব্যবহার করা হয়নি- রায়ে এমন কোনো ইঙ্গিত নেই। একইভাবে ফিফা ও বাফুফে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেই প্রমাণও নেই।
আরও পড়ুন: ৯ বছর পর সবচেয়ে গরম দিন দেখলো ঢাকা
এর পাশাপাশি ফিফার অ্যাডজুডিকেটরি কমিটি বলেছে, ফাইলে এমন কিছুই নেই যাতে বোঝা যায় আবু নাঈম সোহাগ জালিয়াতি করেছেন কিংবা দরপত্র নিয়ে মিথ্যাচার করেছেন। বরং দরপত্রটাই ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করা হয়নি।
সোহাগের আইনজীবীর বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, তথ্যপ্রমাণ এড়িয়ে সম্পূর্ণ অনুমানের ওপর অ্যাডজুডিকেটরি চেম্বার জানিয়ে দেয়, বাফুফের প্রকিউরমেন্ট প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি করা হয়েছে। আর এতেই প্রমাণিত হয় সিদ্ধান্তটি শুধু ভুল ও অসংগতিপূর্ণ নয়, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে।
একাত্তর/আরবিএস
