আহমেদাবাদে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে টস জিতে রান তাড়া করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। সমশক্তির দলগুলোর লড়াইয়ে ফ্লাডলাইটের আলোয় লক্ষ্য তাড়া করাই এখন পর্যন্ত চল হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে ভারত ফাইনালে এসেছে রাতে বড় স্কোর সফলভাবে রক্ষণ করার আত্মবিশ্বাস নিয়ে, যা তারা ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের পর এই প্রথম কোনো নকআউট ম্যাচে করে দেখিয়েছে।
ভারতের টপ অর্ডারে বাঁহাতি ব্যাটারদের আধিক্য থাকায় একজন অফস্পিনার খেলানো নিয়ে প্রচুর আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু নিউজিল্যান্ড অবাক করা এক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেমিফাইনালে এক ওভারে কুইন্টন ডি কক ও রায়ান রিকেলটনকে ফিরিয়ে দেয়া অফস্পিনার কোল ম্যাককনিচিকে তারা একাদশের বাইরে রেখেছে।
তার জায়গায় দলে এসেছেন দীর্ঘদেহী পেসার জ্যাকব ডাফি। দুই অধিনায়ক যখন একে অপরের হাতে একাদশের তালিকা বিনিময় করছিলেন, তখন ঠোঁটের ভাষার পারদর্শীরা আন্দাজ করছেন যে. ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব স্যান্টনারকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, অফস্পিনার নেই?
ম্যাককনিচি না থাকলেও নিউজিল্যান্ডের হাতে অফস্পিন বিকল্প হিসেবে গ্লেন ফিলিপস রয়েছেন। গত ম্যাচে তিনি বল না করলেও ২০২৪-২৫ মৌসুমে ভারতকে তাদেরই মাটিতে টেস্ট সিরিজে ধবলধোলাই করার পথে টার্নিং ট্র্যাকে ফিলিপস বেশ কার্যকর ছিলেন।
অন্যদিকে, ভারত তাদের ‘মিস্ট্রি স্পিনার’ বরুণ চক্রবর্তীর ওপরই আস্থা রেখেছে। সুপার এইট পর্বে ওভার প্রতি ১১.৬ রান দিলেও শেষ ২১ ম্যাচে অন্তত একটি করে উইকেট নেওয়ার অনন্য ধারাবাহিকতা রয়েছে তার, যা চতুর্থ দীর্ঘতম রেকর্ড। রান খরায় থাকা সত্ত্বেও অভিষেক শর্মা প্রত্যাশিতভাবেই দলে টিকে গেছেন; চলতি বিশ্বকাপে তার ব্যাট থেকে মাত্র একটি হাফ সেঞ্চুরি এসেছে।
ভারত একাদশ: ১ অভিষেক শর্মা, ২ সঞ্জু স্যামসন (উইকেটরক্ষক), ৩ ইশান কিশান, ৪ তিলক বর্মা, ৫ সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), ৬ হার্দিক পান্ডিয়া, ৭ শিবম দুবে, ৮ অক্ষর প্যাটেল, ৯ অর্শদীপ সিং, ১০ জাসপ্রিত বুমরাহ, ১১ বরুণ চক্রবর্তী।
নিউজিল্যান্ড একাদশ: ১ টিম সাইফার্ট (উইকেটরক্ষক), ২ ফিন অ্যালেন, ৩ রাচিন রবীন্দ্র, ৪ গ্লেন ফিলিপস, ৫ মার্ক চ্যাপম্যান, ৬ ড্যারিল মিচেল, ৭ মিচেল স্যান্টনার (অধিনায়ক), ৮ জিমি নিশাম, ৯ জ্যাকব ডাফি, ১০ ম্যাট হেনরি, ১১ লকি ফার্গুসন।
ভারতের দাপট বনাম নিউজিল্যান্ডের মিতব্যয়ী লড়াই
ওয়ানডে বিশ্বকাপ ঘিরে ঘুরে দাঁড়াতে চায় বাংলাদেশ