ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবে সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যায় ভারতীয় চ্যানেল টি-সিরিজকে পেছনে ফেলে এবার শীর্ষ অবস্থান দখল করেছেন জিমি ডোনাল্ডসনের চ্যানেল ‘মিস্টার বিস্ট’।
রোববার এক্স অ্যাকাউন্টে দেয়া এক স্ট্যাটাসে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ‘মিস্টার বিস্ট’ নিজেই। বর্তমানে জিমির ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা ২৬৭ মিলিয়ন বা ২৬ কোটি ৭০ লাখর কিছু বেশি । সেখানে টি-সিরিজের সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা প্রায় ১০ লাখ পিছিয়ে, ২৬৬ মিলিয়ন বা ২৬ কোটি ৬০ লাখের কিছু বেশি।
‘মিস্টার বিস্ট’-এর এমন সাফল্যে জিমিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইলন মাস্ক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘ওয়াও। অভিনন্দন।’
২৬ বছরের মার্কিন ইউটিউবার জিমি ডোনাল্ডসন তার ইউটিউব চ্যানেলে ৭০০র বেশি ভিডিও তুলেছেন।
২০১২ সাল থেকে ভিডিও বানানো শুরু করেন জিমি। যখন তার বয়স ১৩ বছর, তখন ভাইরাল হওয়ার সব কৌশল দ্রুত শিখে নেন এই ইউটিউবার। ইউটিউব অ্যালগরিদমসহ সব বুঝতে জীবনের আর বাকি সাধ-আহ্লাদ থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখেন দূরে।
‘কেমন করে আইফোন আনলক করা যায়?’ এ ধরনের চমকপ্রদ শিরোনামের ভিডিও তুলে নিরীক্ষা চালিয়েছেন জিমি। কন্টেন্টের নেশায় মত্ত হয়ে মাঝপথে কলেজ ছেড়ে দেয়ার কারণে বাসা থেকে তাকে বের করে দেয়া হয়েছিলো। ঠিক ওই সময় প্রথম একটি ব্র্যান্ডের সঙ্গে চুক্তি হয় তার। ‘গৃহহীনকে ১০ হাজার ডলার দান’ শিরোনামে ভিডিও করে সে অর্থ সত্যি সত্যি এক অসহায় ব্যক্তিকে দিয়ে দেন তিনি।
ইউটিউবে দেওয়ার জন্য সঠিক ভিডিও কেমন করে বানাতে হয় তা জিমি জানেন তার অনুশীলন থেকে। তিনি তরুণদের নজর কাড়া ঘটনা স্ক্রিনে জুড়ে দেন একের পর এক। আর তাতে থাকে নাটকীয় আবেশ, যা তরুণদের কাছে স্বপ্নের মতো মনে হয়। হয়তো এ কারণেই অনুসারীরা জিমি ডোনাল্ডসনের ভিডিও দেখেন।
