ইউক্রেন-রাশিয়া সীমান্তে চলমান উত্তেজনা নিয়ে রাশিয়া ও ইউরোপীয় নিরাপত্তা দলের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক চায় ইউক্রেন। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই এই আলোচনায় বসতে চায় ইউক্রেন। জানিয়েছে বিবিসি।
দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী দমিত্রো কুলেবা অভিযোগ তুলেছেন, সেনা মোতায়েনের কারণ জানাতে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ উপেক্ষা করেছে রাশিয়া।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কুলেবা শুক্রবার (১১ফেব্রুয়ারি) বলেন, রাশিয়ার উদ্দেশ্য কী, এ প্রশ্নের উত্তর চায় তার দেশ।
এসময় ইউরোপের নিরাপত্তা ও সহযোগিতাবিষয়ক সংস্থা অর্গানাইজেশন ফর সিকিউরিটি অ্যান্ড কোঅপারেশন ইন ইউরোপের (ওএসসিই) সদস্যদের মধ্যে নিরাপত্তা ইস্যুতে সম্পাদিত ভিয়েনা ডকুমেন্ট মেনে চলতে অঙ্গীকারাবদ্ধ থাকা রাশিয়ার অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
দমিত্রো কুলেবা আশাবাদ জানিয়ে বলেন, যদি রাশিয়া ওএসসিইর নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দেয়, তাহলে অবশ্যই উত্তেজনা কমাতে ও সবার জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামরিক স্বচ্ছতা রক্ষা করবে।
এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী কুলেবার বক্তব্যকে একরকম নাকচ করেই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে রাশিয়া হামলার পরিকল্পনা চালাচ্ছে, এমন কোনো প্রমাণ তিনি পাননি।
আরও পড়ুন: জটিল হচ্ছে ইউক্রেন পরিস্থিতি, বাজছে যুদ্ধের দামামা
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, এ ধরনের অভিযোগ উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে।
রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে প্রায় ঘণ্টাখানেক কথা বলেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি।
হোয়াইট হাউস বলছে, বাইডেন ইউক্রেনের প্রতি একাধিকবার তার সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। দুই নেতাই কূটনৈতিক প্রতিরোধ চালিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
এসময় মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ইউক্রেন সফরে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন জেলেনস্কি। তবে এ আমন্ত্রণের ব্যাপারে হোয়াইট হাউস কোনো মন্তব্য করেনি।
এদিকে যেই ন্যাটো জোটে ইউক্রেনের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে আপত্তি রাশিয়ার, সে বিষয়ে লন্ডনে নিযুক্ত ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত ভাদিম প্রিসতাইকো বিবিসিকে বলেছেন, এ বিষয়ে ইউক্রেন নমনীয়। যুদ্ধ এড়াতে ন্যাটো জোটে ঢোকার ইচ্ছা থেকে সরে আসবে ইউক্রেন।
একাত্তর/জো
