নজিরবিহীন কূটনৈতিক টানাপোড়েনের সৃষ্টি হয়েছে বিশ্বের দুই শক্তিধর রাষ্ট্র চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে। এরইমধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়েও দ্বন্দ্বে জড়িয়েছে দেশ দুটি।
অন্য দেশকে প্রযুক্তিগত দিক থেকে অবরুদ্ধ এবং বিচ্ছিন্ন করতে বা অন্যদের পথে বাধা দিতে চাইলে, নিজের পথেই বাধা আসে বলে মন্তব্য করেছেন চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মু্খপাত্র চাও লি চিয়ান।
চীনা সরকারি সংবাদমাধ্যম চাইনা রেডিও ইন্টারন্যাশনাল জানায়, বুধবার (৬ জুলাই) বেইজিংয়ে নিয়মিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে একথা বলেন লি চিয়ান।
তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বায়নের প্রেক্ষাপটেও যুক্তরাষ্ট্র বারবার প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও বাণিজ্যের বিষয় নিয়ে অপরাজনীতি করে আসছে। অপর দেশের পথ রোধ করার চেষ্টা করছে।
তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট পক্ষ বস্তুনিষ্ঠ এবং ন্যায্য অবস্থান থেকে নিজের দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থ বিবেচনা করে ন্যায্য বাজারনীতি প্রয়োগ করতে এবং স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে বলে চীন আশা করে।
এদিকে সিনচিয়াংয়ের বিষয়ে চীনের অভিযোগ, দীর্ঘমেয়াদে নিজের বৈশ্বিক আধিপত্য রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছা মতো অন্য দেশকে আঘাত করে ও চাপ দিয়ে আসছে। চীনের সিনচিয়াংয়ে অনেক বছর ধরে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির বাস্তবতা উপেক্ষা করে যুক্তরাষ্ট্র ‘মানবাধিকারের’ অজুহাতে মানবাধিকারকে ধ্বংস করছে। যুক্তরাষ্ট্র সিনচিয়াংকে অপবাদ দিয়ে চীনের উন্নয়নকে আঘাত ও নিয়ন্ত্রণ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
অন্যদিকে চীনের মানবাধিকার ও চীন-রাশিয়া সম্পর্ক নিয়েও নাখোশ যুক্তরাষ্ট্র।
আরও পড়ুন: রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশি অভিযান, গ্রেপ্তার ৪০
যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ইউক্রেন যুদ্ধে চীন রাশিয়াকে অবৈধভাবে সহযোগিতা করছে। এছাড়াও আঞ্চলিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে চীন তাইওয়ানের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। সেক্ষেত্রে তাইওয়ানের পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র।
চীনের অবস্থান একইরকম থাকলে যুক্তরাষ্ট্র চীনের পণ্য আমদানির বিষয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নিবে বলেও সতর্ক করেছে বাইডেন প্রশাসন।
একাত্তর/আরবিএস
