তুরস্ক ও সিরিয়ায় নিহতের সংখ্যা ২২ হাজার ছাড়ালো

আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৯:১৬ এএম

তুরস্ক-সিরিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা আরও বেড়েছে। শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পর দেখা গেছে, দেশ দুইটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২ হাজার ছাড়িয়েছে। 

দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ফুয়াত ওকতায়ের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, তুরস্কে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৯৯১ জনে।  আর সিরিয়ায় নিহতের সংখ্যা কমপক্ষে তিন হাজার ৩৮৪ জন। 

এদিকে ঘটনার চারদিন পরও ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া লোকজনকে উদ্ধারে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারীরা। 

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থাগুলোর খবরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হচ্ছে, মৃতের সংখ্যা অনেক বেড়ে যেতে পারে। এমনকি এটা ৩০ হাজারো ছাড়িয়ে যেতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আশঙ্কা করছে, তুরস্ক এবং সিরিয়াজুড়ে আড়াই কোটিরও বেশি মানুষ এই ভূমিকম্পের শিকার হয়েছেন। এদের মধ্যে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

দক্ষিণ তুরস্ক এবং উত্তর সিরিয়ায় বিধ্বংসী দুই ভূমিকম্পে এতো বেশি মানুষের মৃত্যুর পর সেখানে আন্তর্জাতিক সাহায্য প্রচেষ্টা জোরদার করা হচ্ছে।

উপদ্রুত এলাকাগুলোর যে দিকে চোখ যায়, শুধুই ধ্বংসের ছবি। উপচে পড়ছে মৃতদেহ। ভূকম্পে তুরস্ক এবং সিরিয়ার ছবিটা ঠিক এরকমই। মৃত্যুপুরীতে পরিণত হওয়া দুই দেশে ভূমিকম্পের পর থেকেই শুরু হয়েছে হাহাকার। প্রাণ বাঁচানোর তাগিদ এবং প্রিয়জনদের খোঁজার আর্তি।

৬ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সময় ভোররাতে সাত দশমিক আট মাত্রার ভূমিকম্পটিতে তুরস্ক ও প্রতিবেশী সিরিয়ায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতে বহু অ্যাপার্টমেন্ট ব্লক ধসে পড়ে, হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং হাজার হাজার মানুষ আহত ও গৃহহীন হয়ে পড়ে। মঙ্গলবারও ভূমিকম্প হয়েছে সেখানে।

ভূমিকম্প বিধ্বস্ত দুই দেশের হাসপাতালগুলোতে চলছে আহতদের আহাজারি। একদিন আগেও যেগুলো বহুতল ছিলো, সোমবারের ভূমিকম্পের পর তা কংক্রিটের ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তীব্র ঠাণ্ডার মধ্যে বহু মানুষকে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে হচ্ছে।

একটি বিস্তীর্ণ সীমান্ত অঞ্চলের শহরগুলোতে কয়েক হাজার ভবন ধ্বসে সমতলে মিশে গেছে। ইতিমধ্যে যুদ্ধ, বিদ্রোহ, উদ্বাস্তু সঙ্কট এবং সম্প্রতি প্রাদুর্ভাবে জর্জরিত এই অঞ্চলে আরো চরম দুর্দশা নেমে এসেছে। দেখা দিয়েছে মানবিক বিপর্যয়।

আরও পড়ুন: সাংবাদিকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করলো তুরস্ক

হিমশীতল আবহাওয়া ও ভূমিকম্প পরবর্তী পরাঘাতের মধ্যেই তুরস্ক এবং সিরিয়ার উদ্ধারকারীরা মঙ্গলবার ধ্বসে পড়া ভবনে চাপা পড়া জীবিত লোকদের উদ্ধারে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে সীমিত রসদের কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে।

ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিলো তুরস্কের কাহরামানমারাস এবং গাজিয়েনটেপের মধ্যবর্তী এলাকা। সেখানেই ঘটেছে সবচেয়ে প্রবল ধ্বংসযজ্ঞ। দুই মিলিয়ন লোকের একটি গোটা শহরেরই ধ্বংসস্তূপে এখন শুভ্র তুষারে ঢেকে আছে। তারপরও চলছে জীবনের অনুসন্ধান।


একাত্তর/আরএ

ইয়েমেনি হুথিদের লাগাতার হামলায় যুদ্ধের মাঠে পিছু হঠতে শুরু করেছে সৌদি বাহিনী। এমন পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের পাশে দাঁড়ানোর উপায় ঠিক করতে জরুরি বৈঠকে বসছেন সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সামরিক প্রধানরা।
ভারতের দীর্ঘদিনের দাবির পথ ধরে এবার জাতিসংঘের সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা নিরাপত্তা পরিষদের (ইউএনএসসি) আমূল সংস্কার এবং পাঁচ স্থায়ী সদস্যের বিতর্কিত ‘ভিটো’ ক্ষমতা পুরোপুরি বাতিলের জোরালো...
তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলের এক বিদ্যালয়ের বাইরে এক কিশোরের এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণে কমপক্ষে ১১ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে, যাদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ফরাসি বার্তা সংস্থা- এএফপির তথ্যে মতে, মঙ্গলবার...
সিরিয়া জুড়ে সপ্তাহান্তে জ্বালানি তেলের মূল্য হঠাৎ এক ধাক্কায় রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধিতে ছড়িয়ে পড়েছে তীব্র গণবিক্ষোভ। প্রায় দুই বছর আগে বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর থেকে এটিই দেশটিতে সবচেয়ে বড় এবং...
বরগুনার বেতাগীতে কিশোর গ্যাং, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, অবৈধ দখলবাজি এবং ছড়িয়ে পড়া অনলাইন জুয়া চিরতরে নির্মূল করতে বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) দুই মাসের (৬০ দিন) সময়সীমা বেঁধে...
কেউ যদি সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে, তবে সে বিষয়ে আইন ও সরকারের অবস্থান স্পষ্ট, এখানে কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন...
দেশে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসা ব্যবস্থার মতো স্পর্শকাতর খাতগুলোতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর চরম অকার্যকারিতা ও ব্যর্থতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের তীব্র সমালোচনা...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিরোধিতা করতে গিয়ে স্বৈরাচার ফিরে আসার পথ উন্মুক্ত করা হলে তা হবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর