সিরিয়ায় ইরান-সংলগ্ন গোষ্ঠীর ড্রোন হামলায় মার্কিন ঠিকাদারের মৃত্যুর অভিযোগে একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) রাতে এ বিমান হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে পেন্টাগন। এর আগে দুপুর ১টা ৩৮ মিনিটে উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার হাসকাহ শহরের কাছে একটি ঘাঁটিতে মার্কিন সেনাদের বিরুদ্ধে হামলা চালানো হয় বলে জানায় তারা।
পেন্টাগন জানায়, এ হামলায় ঠিকাদার নিহতের পাশাপাশি দিনের শুরুতে পাঁচ মার্কিন সেনা আহত হয়।
মার্কিন গোয়েন্দারা ধারণা করছেন, একমুখী হামলায় ব্যবহৃত ড্রোনটি মূলত ইরানি ছিল। এই ধারণা ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন বলেন, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নির্দেশে প্রতিশোধমূলক হামলা চালানো হয় এবং ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) এর সাথে যুক্ত গোষ্ঠীগুলোর দ্বারা ব্যবহৃত স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আজকের হামলার পাশাপাশি সিরিয়ায় কোয়ালিশন বাহিনীর বিরুদ্ধে আইআরজিসি-এর সাথে সম্পৃক্ত গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক হামলার প্রতিক্রিয়া হিসাবে বিমান হামলা চালানো হয়। কোন গোষ্ঠী আমাদের সৈন্যদের আঘাত করে দায়মুক্তি পাবে না।
মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ড্রোন হামলার ফলে আহত তিনজন সেনা এবং একজন ঠিকাদারকে ইরাকে চিকিৎসার জন্য সরিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন হয়, যেখানে ইসলামিক স্টেটের অবশিষ্টাংশের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের চিকিৎসা সুবিধা রয়েছে।
আরও পড়ুন: ব্রাজিলে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে পুলিশের গুলিতে নিহত ১৩
পেন্টাগন জানিয়েছে, অন্য দুই আহত মার্কিন সেনাকে উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার ঘাঁটিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
হতাহতের সংখ্যা- একজন নিহত এবং ছয়জন আহত- অত্যন্ত অস্বাভাবিক, যদিও সিরিয়ায় মার্কিন কর্মীদের বিরুদ্ধে ড্রোন হামলার চেষ্টা সাধারণ ঘটনা।
একাত্তর/এসজে
