ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন শহরে রাশিয়ান মিসাইল হামলায় কমপক্ষে ১৯ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
শুক্রবারের এ হামলায় কেন্দ্রীয় শহর উমানের একটি অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকে হামলায় এক শিশুসহ ১১ জন নিহত হয়েছে বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
এছাড়াও দিনিপ্রো শহরে এক নারী ও তার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। মধ্য ইউক্রেনের ক্রেমেনচুক শহরেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকটি উমানে ক্ষতিগ্রস্ত ১০টি আবাসিক ভবনের মধ্যে একটি।
তিনি বলেন, হামলাগুলো দেখায় যে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।
রাষ্ট্রীয় উদ্ধার পরিষেবা জানিয়েছে, উমানে আহত ১১ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
এক টুইটবার্তায় জেলেনস্কি বলেন, অস্ত্র দিয়ে মন্দকে থামানো যায়- আমাদের রক্ষকেরা তা করছেন। এবং এটি নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে বন্ধ করা যেতে পারে- বিশ্বব্যাপী নিষেধাজ্ঞা অবশ্যই বাড়ানো উচিত।
কিয়েভ শহরের সামরিক প্রশাসনের প্রধান বলেছেন, এটি গত ৫১ দিনের মধ্যে রাজধানীতে প্রথম রাশিয়ান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। তবে কিয়েভে তাৎক্ষণিক কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
কর্মকর্তারা মেসেজিং পরিষেবা টেলিগ্রামের একটি পোস্টে বলেছেন, ২৩টির মধ্যে ২১টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং দুটি আক্রমণকারী ড্রোন ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা গুলি করে নামানো হয়েছে।
ইউক্রেনীয় বাহিনী বলেছে, তারা পশ্চিমা মিত্রদের সরবরাহ করা ট্যাঙ্ক ও নতুন সরঞ্জামসহ একটি সামরিক আক্রমণ চালানোর জন্য প্রস্তুত।
এদিকে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহর বাখমুতের নিয়ন্ত্রণের জন্য ১০ মাস ধরে লড়াই করছে রাশিয়া।
আরও পড়ুন: জোড়া ভূমিকম্পে কাঁপল নেপাল
শুক্রবারের হামলায় রাশিয়ার লক্ষ্য কী ছিল তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়, তবে এর আগেও তারা বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা করেছে।
মস্কো এর আগে বলেছিল, তারা ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক লোকদের লক্ষ্য করে না, তবে রাশিয়ার আক্রমণের পর থেকে ইউক্রেনজুড়ে হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিক আহত ও নিহত হয়েছে।
একাত্তর/এসজে
