ক্রিমিয়া উপদ্বীপের সঙ্গে রাশিয়ায় যোগাযোগের একমাত্র সংযোগ সেতুতে হামলার সাত মাস পর এ ঘটনায় কিয়েভ জড়িত বলে দাবি করেছে ইউক্রেনের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।
শনিবার ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থার (এসবিইউ) প্রধান ভ্যাসিল মাল্যুক বলেছেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক সরবরাহের পথ। যা শত্রুদের থেকে বিচ্ছিন্ন করতে হয়েছিল। আমাদেরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হয়েছিল। খবর: আল জাজিরা।
তবে কীভাবে সেতুটিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেননি ইউক্রেনের এই গোয়েন্দা কর্মকর্তা।
২০২২ সালের ৮ অক্টোবর সেতুটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে কিছু অংশ ধসে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় সেতুর রেলপথের অংশটিও। নিহত হয় অন্তত তিনজন। ক্রিমিয়ার মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে রাশিয়াকে যুক্ত করা একমাত্র এই সেতুটিতে বিস্ফোরণের ঘটনাকে মস্কোর জন্য একটি বড় আঘাত হিসেবে দেখা হয়।
এ ঘটনায় ইউক্রেন জড়িত রয়েছে বলে সেসময় রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন দাবি করেন। তবে সেসময় এ হামলার দায় এড়িয়ে গিয়েছিল রাশিয়া।
কার্চ সেতুটি রাশিয়ার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এ সেতু পথেই ক্রিমিয়া থেকে খেরসনসহ ইউক্রেনের কয়েকটি অঞ্চলে সামরিক রসদ পেতো রুশ বাহিনী।
ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন এ অভিযোগ করে এলেও সেতুতে বিস্ফোরণের পেছনে ইউক্রেনীয় বাহিনী জড়িত নয় বলে এতদিন দাবি করে আসছিল জেলেনস্কির প্রশাসন।
২০১৪ সালে ইউক্রেনের কাছ থেকে ক্রিমিয়ার দখল নেয় রাশিয়া। চার বছরের মাথায় ২০১৮ সালে বহুল প্রতীক্ষিত এই ক্রিমিয়া সেতুর উদ্বোধন করেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এতে ব্যয় হয়েছিল ৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। কার্চ প্রণালির ওপর দিয়ে ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতু আজভ সাগর এবং কৃষ্ণ সাগরকে সংযুক্ত করেছে।
একাত্তর/জো
