ঈদে ছুটি শুরু হওয়ায় ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে কমলাপুরে। মঙ্গলবার ঈদযাত্রার চতুর্থ দিনে সকাল থেকে সব ট্রেনেই ছিলো প্রচণ্ড ভিড়। সবচেয়ে বেশি ভিড় ছিলো উত্তরাঞ্চলের ট্রেনে। ছাদে যাত্রী না উঠলেও স্ট্যান্ডিং টিকেটের যাত্রীচাপে, বিপদে পড়েন সিটধারীরা। তবে চাপ বাড়লেও প্রায় সব ট্রেনই নির্ধারিত সময়ে কমলাপুর ছাড়ে গেছে।
মঙ্গলবার সকালে সরেজমিন কমলাপুর স্টেশনে যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে। যদিও সকাল থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি। কিন্তু ঈদে বাড়ি যাওয়ার আনন্দের কাছে সবকিছুই ছিল তুচ্ছ। আর একদিন বাদেই ঈদ। তাই শেষ মুহূর্তে সবাই ছুটছে বাড়ির পথে।
আন্তঃনগর, মেইল কিংবা কমিউটার- সকাল থেকে সব ট্রেনই ছিলো যাত্রীবোঝাই। বিশেষ করে পঞ্চগড়, দিনাজপুর, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর রুটের ট্রেনগুলোতে ভিড় ছিলো সবচেয়ে বেশি। টিকেট হাতে থাকলেও ভিড়ের কারণে নির্ধারিত সিট পর্যন্ত পৌঁছাতে রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়েছে।
প্রতিটি ট্রেনের মোট আসনের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকেট দেয়া হচ্ছে। বিনা টিকেটের যাত্রা বন্ধে কঠোর অবস্থানের কারণে স্ট্যান্ডিং টিকেট কেটে বাড়ির পথে রওনা হন বহু মানুষ।
বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা শাহ আলম কিরন শিশির বলেন, এমন পরিস্থিতিতেও ট্রেনের সময়সূচি এখনও ঠিক আছে। দুই একটি বাদে সব ট্রেন নির্ধারিত সময়ে কমলাপুর ছেড়েছে।
তিনি জানান, নিয়মিত ৩৮ জোড়া আন্তঃনগর ট্রেনের পাশাপাশি ঈদের বাড়তি যাত্রী পরিবহনে চলছে তিন জোড়া ঈদ স্পেশাল ট্রেন। মেইল, কমিউটার মিলে সংখ্যাটা ৫৩ জোড়া।
অপরদিকে ঈদের ছুটি শুরু হওয়ায় রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলোতেও বেড়েছে যাত্রীদের চাপ।
সোমবার শেষ কর্মদিবস হওয়ায় বিকালের পর থেকেই টার্মিনালে মানুষের চাপ বাড়তে থাকে। মঙ্গলবার সকালে তা আরও বাড়ে।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে সকাল থেকে জমে উঠেছে কোরবানির হাট
যাত্রীরা জানান, পরিবহন সঙ্কট না থাকলেও বেশিরভাগ বাসে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়া হচ্ছে। কোনো কোনো গন্তব্যে দ্বিগুণ ভাড়া নেয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের।
এদিকে ঈদযাত্রায় শৃঙ্খলা রাখতে কাজ করছে বিআরটিএ'র বিশেষ মনিটরিং সেল।
একাত্তর/এসি
