বাংলাদেশ এখন বিশ্বের উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি 

আপডেট : ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৬:৫১ পিএম

স্বাধীনতার ৫৩ বছরে বাংলাদেশে কমেছে দারিদ্র্যের হার। গড় আয়ু, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি ছাড়াও অর্থনীতির নানা সূচকে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে দেশ। পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এরইমধ্যে জানিয়েছেন, ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত দেশ গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। আর অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সামনের বছর থেকে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য ও দুর্নীতি কমানোই বড় চ্যালেঞ্জ। 

যদিও করোনা মহামারি আর ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের মতো বৈশ্বিক সংকট সামাল দিতে হিমশিম উন্নত দেশগুলোও। তবে এসব মোকাবিলা করে অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ঠিকই ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।

এম এ মান্নান বলেন, আমরা ৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশের কাতারে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছি। এরই মধ্যে আমরা দরিদ্রতা, শিক্ষার হার, শিশুমৃত্যু কমানোসহ অনেক কিছুতেই সাফল্য পেয়েছি। তবে এই ধারা অব্যাহত রাখতে হিংসা ও ধ্বংসের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

কোথা থেকে শুরু

১৯৭১ সালে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ ছিলো দক্ষিণ এশিয়ার দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। নানা সময়ে এদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর নানা উদ্যোগে বিজয়ের মাত্র সাড়ে তিন বছরে মাথাপিছু আয় ৯৪ থেকে ২৭৮ ডলারে উন্নীত হয়। প্রবৃদ্ধি ছাড়ায় নয় শতাংশ। বিজয়ের ৫৩ বছরে মাথাপিছু আয় বেড়ে দুই হাজার ৭৬৫ ডলার। মোট জাতীয় উৎপাদনের লক্ষ্য ৭ দশমিক ৫ শূন্য শতাংশ।

সেখান থেকে শুরু করে দেশ এখন ধারাবাহিক উন্নয়নের পথে। দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। পদ্মা সেতু, বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল, টানেলসহ অত্যাধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ শেষে মেট্রোরেলের যুগে দেশ।  

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, আর্থ-সামাজিক খাতে উন্নতি করেছে দেশ। তবে ব্যক্তিগত দুর্নীতিই উন্নয়নের বড় বাধা। অর্থনীতিবিদ ও উন্নয়ন চিন্তাবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, আমরা গত এক দশকে অর্থনীতির বেশ কিছু সূচকেই এগিয়ে গেছি। অনেকটা ঠিক পথে আছি। সবাই যদি ব্যক্তি স্বার্থের বাইরে গিয়ে দেশের স্বার্থকে গুরুত্ব দেয় তাহলে আমরা আরও বেশি শক্তিশালী অর্থনীতির ভিত তৈরি করতে পারব।

আরবিএস  
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তিতে খুব বেশি সন্তুষ্ট হতে পারছেন না বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা। তাদের মতে, মাত্র ১ শতাংশ ছাড় দিয়ে, কয়েকগুণ বেশি সুযোগ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া, দেশটির...
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিকভাবে লাভজনক বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে বাংলাদেশ। ফলে দেশের গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকের যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে...
ষাট ঊর্ধ্ব আফসানা সংসার চালান ফুল বিক্রি করে। প্রতিবন্ধী মেয়েসহ চার সদস্যের পরিবারে নিত্য টানাপড়েন থাকলেও নেই কোনো ব্যক্তিগত ঋণ। তবুও সরকারের নেওয়া ঋণের বোঝা তার ওপরও—মাথাপিছু এক লাখ ২৬ হাজার টাকা।
দেশের মানুষের গড় মাথাপিছু আয় যখন ২ হাজার ৮২০ ডলার তখন ঢাকায় বসবাসরত মানুষের মাথাপিছু আয় ৫ হাজার ১৬৩ ডলার।
ফুটবল দর্শনের এক কঠিন ও স্নায়ুচাপের লড়াই শেষে আবারও ফুটবলের রাজসিংহাসনে বসলো স্পেন। ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে নিয়ন্ত্রণ বনাম বিশৃঙ্খলার এক ধুন্ধুমার লড়াই প্রত্যক্ষ করলো ফুটবলবিশ্ব। যেখানে লুইস দে লা...
করোনাকালে রোগীদের নমুনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেওয়া ও প্রতারণার দায়ে দেশজুড়ে আলোচিত রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে আবারও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মশা নিয়ন্ত্রণে এখন পর্যন্ত যেসব রাসায়নিক বা কেমিক্যাল ব্যবহার করা হচ্ছে, তা খুব একটা কার্যকর হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।...
আমদানি-নির্ভর জ্বালানির মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে দেশকে দীর্ঘদিন ধরে অন্য দেশের ওপর পরনির্ভরশীল করে রাখা হয়েছিলো বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর