গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলের জাবালিয়া শরণার্থীশিবিরে ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় অন্তত ৯০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এসব হামলায় সাংবাদিক ও স্বাস্থ্যকর্মীসহ আহত হয়েছেন আরও শতাধিক মানুষ।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, রোববারের হামলায় নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলছে, হামলার পর থেকে এখনও অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন। তারা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
একজন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ গোষ্ঠীর মুখপাত্র দাউদ শেহাবের ছেলেও রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও বেশি সংখ্যক মানুষ আটকা পড়েছেন। কিন্তু ইসরাইলি হামলার কারণে ধ্বংসস্তূপ অপসারণ করে তাদের উদ্ধার করা যাচ্ছে না।
এর আগে অক্টোবর মাসের ৭ তারিখে ইসরাইলে সামরিক অভিযান চালায় গাজার হামাস সরকার। এর পরপরই গাজায় বিমান হামলা ও স্থল হামলা শুরু করে ইসরাইল। ৭০ দিনেরও বেশি সময় ধরে চলা আগ্রাসনে এ পর্যন্ত প্রায় ১৯ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।
এছাড়াও ইসরাইলি হামলা ও অবরোধে দশ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। পানি, খাদ্য এবং অন্যান্য মৌলিক সরবরাহ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে গাজার বাসিন্দারা।
এই গণহত্যা ও বর্বরতা গোটা বিশ্বের সামনে ঘটছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনসহ ইউরোপীয় দেশগুলো তাতে সমর্থন যোগাচ্ছে উল্লেখ করে এর নিন্দা জানিয়েছে হামাস।
গাজায় ইসরাইলের কৌশলগত পরাজয় হয়েছে: হামাস
ভারতে অস্ত্র তৈরির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ৯