করোনা আক্রান্ত হয়ে সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে আসছেন বেশিরভাগ রোগী। এদের অনেক হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা যাচ্ছেন।
কিংবা এমন সময় আসছেন যখন তাদের আইসিইউ দরকার। ঢাকার আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা রোগীদের বেলায় দেখা যাচ্ছে এমন চিত্র।
এদের অনেকে জেলা হাসপাতালে ভর্তি হলেও, অবস্থার অবনতি নিয়ে তারা ঢাকায় আসছেন। ফলে অনেক সময়ই কিছুই করার থাকে না চিকিৎসকদের।
গেলো ছয় দিন মুন্সিগঞ্জ হাসাপাতালে ভর্তি ছিলেন ৫৫ বছর বয়সি আলমগীর শিকদার। তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে সেখান থেকেই তাকে পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেলে।
তার স্ত্রী জানান, করোনা আক্রান্ত হাবার পর প্রথম সাত দিন তিনি বাসায় ছিলেন। শ্বাসকষ্ট শুরুর পর তাকে ভর্তি করা হয় মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে। সেখানে ছয় দিন ভর্তি থাকার পরও অবস্থার অবনতি হলে সকালে পাঠানো হয় ঢাকায়।
বুধবার (১৪ জুলাই) সকাল দশটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত তার মতোই মোট ৩২ জন রোগী আসেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। যাদের বেশিরভাগের অবস্থাই ছিলো গুরুতর।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে হানিফ মিয়ার রণপা হাঁটা শেখার স্কুল
আর মৃত্যুর মিছিলে যারা যুক্ত হচ্ছেন কিছুক্ষণ পরপরই তাদের স্বজনদের আহাজারিতে ভারি হয়ে ওঠে হাসপাতাল চত্বর।
একদিকে মৃতদের অন্তিম যাত্রা; অন্যদিকে নতুন রোগী নিয়ে আসে আরও এম্বুলেন্স। শূন্য বেডে চলে নতুন রোগী ভর্তির আয়োজন।
তবে নিজের চোখের সামনে প্রিয় যে মানুষটি অনন্তে পাড়ি জমালো, তার জন্য কাকে দায়ী করবেন স্বজনরা। প্রতিটি হাসপাতালের সামনের চিত্রই বলছে ক্রমশ ভয়ঙ্কর রুপ নিচ্ছে করোনা।
একাত্তর/আরবিএস
