বিশ্বের সবাই দেশ-জাতি ও মানুষের সমতার কথা মুখে বললেও আসলে তা নেই। বরং দেশে দেশে আছে বিভেদ। আছে অন্যকে ছোট করে নিজেদের বড় করে দেখার প্রবণতা। এসব অন্যায় ও বৈষম্য দূর করার ক্ষমতা রাখেন তরুণরা। রাশিয়ার সোচিতে বিশ্ব যুব সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এমনটাই বললেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
১ থেকে ৭ মার্চ রাশিয়ার সিরিয়াস ফেডারেল টেরিটরিতে (সোচি) অনুষ্ঠিত হয় এ বিশ্ব যুব উৎসব। বৃহস্পতিবার বিদায়ের ক্ষণটা রাঙ্গিয়ে নিতে সোচির অলেম্পিক স্টেডিয়ামে চোখ ধাঁধানো সব আয়োজন।
যুব সম্মেলন যোগ দেয়া ২০ হাজার তরুণ তরুণীর মধ্যে সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার সুযোগ পায় মাত্র তিন হাজার।

সমাপনী অনুষ্ঠানে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যোগ দেয়া উপলক্ষে নিরাপত্তার কমতি রাখেনি আয়োজকরা। তবে কোনো নিরাপত্তা কর্মীকেই আলাদা করে চেনার সুযোগ ছিলো না, কারণ তারা সবাই অংশগ্রহণকারীদের পোশাক পড়ে নিজের পরিচয় লুকিয়ে ফেলেন।
অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বিশ্বের ক্ষমতাবান এই রাষ্ট্র প্রধান বলেন, পৃথিবীতে সবাই শান্তি প্রতিষ্ঠা ও সমতার কথা বলে কিন্তু আসলে কেউ তা করে না।

তরুণরাই পৃথিবীতে হানাহানি বন্ধ করতে পারে বলেও মন্তব্য করেন পুতিন।
এ বছর বিশ্ব যুব উৎসবে অংশ নিতে বাংলাদেশ থেকে রাশিয়ায় যান ৯৫ জন তরুণ।
সম্মেলনে যোগ দিয়ে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের তরুণরা বলেন, দেশ এবং নিজেকে এগিয়ে নেয়ার দারুণ এক আয়োজন এই সম্মেলন।
আসছে বছর আরও বেশি সংখ্যক অংশগ্রহণকারীকে সম্মেলনে যোগ দেয়ার আমন্ত্রণ জানান পুতিন।
থাই নারীকে লাথি মেরে ভিসা হারালেন সুইস নাগরিক