কোনকিছুতেই এমনি এমনি সেরা হওয়া যায় না। নিজেকে সেরা হিসেবে প্রমাণ করতে মেধা-শ্রম আর অধ্যবসায়ের বিকল্প নেই। তেমনি ক্রিস্তিনা পিসকোভা শুধু তার নজর কাড়া সবুজ চোখের জন্যই সেরা বা ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ হননি।
ক্রিস্টিনা পিসকোভা চেক রিপাবলিকের বাসিন্দা। ১৯৯৯ সালের ১৯ জানুয়ারি জন্ম হয়েছে তার। বেড়ে উঠেছেন রাজধানী প্রাহায়। তিনি পেশায় একজন মডেল। এর আগে তিনি মিস চেক রিপাবলিকের খেতাব জয় করেছেন।
মিস ওয়ার্ল্ডের ৭১তম প্রতিযোগিতায় ভারতের প্রতিযোগী সিনা শেঠি যখন শীর্ষ আটে পৌঁছে গিয়েছিলেন, অনেকেই ভেবেছিলেন বিশ্ব সুন্দরীর মুকুট বুঝি এবার এশিয়াতেই থাকবে। কিন্তু প্রতিযোগিতা ধাপে ধাপে গড়ালে নানাভাবে নিজেকে তুলে ধরেন চেক প্রজাতন্ত্রের ক্রিস্তিনা পিসকোভা। তাই মুম্বাইয়ে চূড়ান্ত আসরে যখন পিসকোভার নাম ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ হিসেবে ঘোষণা করা হল, খুব বেশি অবাক হননি কেউ।
মিস ওয়ার্ল্ডের মুকুট ঘরে তুলতে পিসকোভাকে ১১৫ জন প্রতিযোগীর মধ্যে নিজেকে সেরা হিসেবে প্রমাণ করতে হয়েছে। ২৪ বছর বয়সী এই তরুণী চেক প্রজাতন্ত্রের একজন মডেল। নজর কেড়েছেন তার সবুজ চোখের জন্যও।
বিশ্বের বিভিন্ন ফ্যাশন ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করা পিসকোভা মাথায় মুকুট পরার পর বলেন, আন্তর্জাতিক নারী দিবসের পরপর এই সম্মাননা একজন নারীর জন্য সর্বশেষ্ঠ উপহার।
পিসকোভা ২০২২ সালে মিস ওয়ার্ল্ড চেক প্রজাতন্ত্র নির্বাচিত হন। তারপর থেকে তিনি নিজেকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার জন্য তৈরি করেছেন।
প্রাহার চার্লস ইউনিভার্সিটি থেকে আইনে পড়ালেখা করেছেন এই মডেল। এখন ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ নিয়ে ওই বিশ্ববিদ্যালয়েই পড়ছেন। মডেলিংয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের সঙ্গে জড়িত আছেন পিসকোভা। প্রতিষ্ঠা করেছেন বঞ্চিত শিশুদের জন্য একটি স্কুল। ক্রিস্তিনা পিসকোভা নিজেও সেই স্কুলের একজন শিক্ষক।
