ভারত মহাসাগরে সোমালিয়ান জলদস্যুদের হাতে বন্দিদের একজন, ফরিদপুরের মো. তারেকুল ইসলাম। নাবিক তারেকুলের গ্রামের বাড়ি মধুখালীর রায়পুর ইউনিয়নের ছকড়িকান্দি গ্রামে। জলদস্যুদের হাতে বন্দি হওয়ার খবরে শংকিত তার পরিবারে ও গ্রামের মানুষ।
বুধবার দুপুরে তারেকুলের গ্রামের বাড়ীতে গিয়ে দেখা যায় সকলের চোখেমুখে শংকার ছাপ। আহাজারি করছেন বৃদ্ধ বাবা মা, বারবার দেখছেন প্রিয় সন্তানের ছবি। বৃদ্ধ বাবা ও মা জানান, দস্যুদের হাতে বন্দি হওয়ার পর তা মোবাইলে জানিয়েছিল তারেকুল।
তারা জানান, গত ডিসেম্বরে তারেকুল নতুন করে যোগ দিয়েছিলেন ভারত মহাসাগরে সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবলে পড়া গোল্ডেন হক নামের বাংলাদেশী জাহাজ এমভি আবদুল্লাহতে থার্ড অফিসার হিসেবে।
সরকারের কাছে তারেকুলসহ সকল বন্ধুদের অক্ষত উদ্ধারের দাবী জানিয়েছেন তাদের।
তারেকুলের গ্রামের বাড়িতে ভিড় করছেন আত্মীয়-স্বজন সহ প্রতিবেশীরা। স্থানীয়রা জানান, তারেকুল খুবই নম্র এবং ভদ্র একটি ছেলে। যে কোনো অবস্থা তাদের উদ্ধারের দাবী তাদের।
ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল আহসান তালুকদার বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তারেকুলের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। অপহৃতদের মুক্তির বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রানলয় তৎপর রয়েছে বলেও জানান তিনি।
অবসরপ্রাপ্ত চাকুরিজীবী দেলোয়ার হোসেন এর দুই ছেলে একমেয়ের মধ্যে সবার ছোট মো. তারেকুল ইসলাম। স্থানীয় প্রাইমারি স্কুল থেকে পাশ করে চলে যান ঢাকায়। সেখানে মিরপুরের ডক্টর মো. শহীদুল্লাহ্ কলেজিয়েট স্কুল থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পাশ করেন। ২০১২ সালে ভর্তি হন চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমিতে। ২০১৪ সালে নটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে চাকরিতে যোগ দেন।
স্ত্রীর সঙ্গে জলদস্যুর কবলে থাকা নাবিকের যোগাযোগ