ইতিহাস বিখ্যাত জাহাজ টাইটানিকের প্রতিরূপ ‘টাইটানিক-২’ তৈরির পরিকল্পনার কথা কয়েকবারই ঘোষণা করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ধনকুবের ক্লাইভ পালমার। সিডনি অপেরা হাউসে বুধবার জাহাজটির প্রতিরূপ তৈরির তার ওই প্রকল্পের কথা পুনরায় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
পালমার প্রথমে ২০১২ সালে এবং পরবর্তীতে ২০১৮ সালে তার এই পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছিলেন। খবর সিএনএন’র।
পালমার বলেন, তার কোম্পানি ব্লু স্টার লাইন এখন প্রতিরূপ জাহাজ তৈরি করতে চায়, যেটি ২০২৭ সালের জুন মাসে সমুদ্রে যাত্রা করবে। কোভিডসহ অন্যান্য অপ্রত্যাশিত বিলম্বের পরে তারা টাইটানিকের স্বপ্ন নিয়ে অংশীদারদের সঙ্গে পুনরায় যুক্ত হয়েছেন বলে ঘোষণা দেন তিনি।
তিনি বলেন, কোভিড লকডাউনের কারণে জাহাজ শিল্প দীর্ঘমেয়াদী বন্ধের মুখে পড়েছিল। তাই দীর্ঘদিন এটা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা বন্ধ রেখেছিলেন বলে জানান তিনি।
তিনি জানান, তারা বিশ্বের সেরা জাহাজ নির্মাতা, ডিজাইনার এবং ইঞ্জিনিয়ারদের টাইটানিক-২ তৈরির জন্য আবারও ডেকেছেন। এই জাহাজটি হবে আগের টাইটানিকের থেকে অনেক বেশি উন্নত।
জাহাজটি নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে জানিয়ে পালমার বলেন, জাহাজটির ৯টি ডেকে ৮৩৫টি কেবিনসহ দুই হাজার ৩৪৫ জন যাত্রীর জন্য বোর্ডে জায়গা থাকবে এবং প্রায় অর্ধেক কক্ষ প্রথম শ্রেণীর যাত্রীদের জন্য থাকবে । বলরুম, সুইমিং পুলসহ জাহাজটির অভ্যন্তরীণ এবং কেবিনের বিন্যাস মূল জাহাজের মতোই থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
১৯১২ সালের ১৪ এপ্রিল প্রথম সমুদ্র যাত্রাতেই সাউথহ্যাম্পটন থেকে নিউ ইয়র্ক সিটি যাওয়ার পথে আটলান্টিক মহাসাগরে আইসবার্গের ধাক্কায় ডুবে যায় টাইটানিক। সেসময় জাহাজে দুই হাজার ২২৪ আরোহীর মধ্যে দেড় হাজারই মারা যান। ডুবে যাওয়ার শতবর্ষ পরেও ৬০ হাজার টন ওজনের জাহাজটির এই করুণ পরিণতি মনে রেখেছে গোটা বিশ্ব।
লোহিত সাগরে ডুবছে হুতি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত যুক্তরাজ্যের জাহাজ