আগেও বহুবার রক্তাক্ত হয়েছে মস্কো

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০২৪, ০৩:৪৮ পিএম

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর কাছে একটি কনসার্ট হলে শুক্রবার সন্ধ্যায় বন্দুকধারীদের হামলা ও আগুনে ১৪৩ জনের বেশি নিহত ও অনেকে আহত হয়েছেন। কনসার্ট উপভোগ করতে যাওয়া লোকজনের ওপর এমন আকস্মিক হামলায় হতবিহ্বল মস্কোবাসী। কিন্তু এবারই প্রথম নয়, আগেও বেশ কয়েকটি বড় হামলায় কেঁপে উঠেছিলো রাশিয়ার রাজধানী। 

সময়টা ১৯৯৯ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর। ওই দিন সকালে দক্ষিণ–পূর্ব মস্কোর একটি আটতলা ভবনে বোমার বিস্ফোরণ হয়। এতে নিহত হন ১১৮ জন। মস্কো ও রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সেই সময় দুই সপ্তাহে পাঁচটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে হামলা হয়। ওই ঘটনা ছিল সেগুলোরই একটি। 

এসব হামলায় মোট ২৯৩ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন। হামলাগুলোর জন্য মস্কো প্রধানত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ উত্তর ককেশাসের চেচনিয়া প্রজাতন্ত্রের ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ বিদ্রোহীদের দায়ী করে।

২০০২ সালের ২৩ অক্টোবর মস্কোর দুবরোভকা থিয়েটারে ঝড়ো অভিযান চালায় চেচনিয়ার স্বাধীনতাকামী যোদ্ধাদের একটি দল। দলটির ২১ জন পুরুষ ও ১৯ জন নারী সদস্য অনুষ্ঠান চলার সময় থিয়েটারে ৮০০ জনের বেশি দর্শক-শ্রোতাকে জিম্মি করেন।

জিম্মি নাটক অবসানে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে দুই দিন ও তিন রাত চলে দর-কষাকষি। তাতে সমাধান না হলে জিম্মিকারীদের অচেতন করতে থিয়েটারের ভেতর বিশেষ গ্যাস ছড়িয়ে দেন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। এরপর সেখানে অভিযান চালান। এ ঘটনায় ১৩০ জিম্মি মারা যান। তাঁদের অধিকাংশের মৃত্যু হয় দম বন্ধ হয়ে।

থিয়েটারে জিম্মি নাটক অবসানের পরের বছর ২০০৩ সালের ৫ জুলাই মস্কোর কাছে তুশিনো বিমানঘাঁটিতে একটি রক কনসার্টে আত্মঘাতী বোমা হামলা চালান দুই নারী। রাশিয়া তাঁদের চেচেন বিদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত করে। আত্মঘাতী এ হামলায় ১৫ জন নিহত ও ৫০ জনের মতো আহত হন। বার্ষিক ওই উৎসবে রাশিয়ার শীর্ষস্থানীয় ব্যান্ড দলগুলো অংশ নিয়েছিল।

  

এক বছর পর ২০০৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি সকালের ব্যস্ত সময়ে মস্কোর পাতাল রেলপথে একটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় স্বল্পপরিচিত এক চেচেন গোষ্ঠী। এতে ৪১ জন নিহত হন।

২০১০ সালের ২৯ মার্চ। মস্কোর পাতালপথে দুটি হামলা চালান দুজন আত্মঘাতী নারী। হামলায় ৪০ জন নিহত হন। এর একটি হামলা চালানো হয় এফএসবি গোয়েন্দা সার্ভিসের সদর দপ্তরের কাছে লুবিয়াংকা স্টেশন লক্ষ্য করে।হামলার দায় স্বীকার করেন চেচেন স্বাধীনতাকামীদের একটি গোষ্ঠী ‘দ্য ককেশাস আমিরাত’-এর নেতা দোকু উমারভ।

২০১১ সালের ২৪ জানুয়ারি ছিল মস্কোবাসীর জন্য আরেকটি রক্তাক্ত দিন। এদিন মস্কোর দোমোদেদোভো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আগমনি হলে আত্মঘাতী বোমা হামলা চালান এক ব্যক্তি। তাতে ৩৭ জন নিহত হন। এ হামলারও দায় স্বীকার করে ‘দ্য ককেশাস আমিরাত’।

এআরএস
মস্কোর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে বৃহস্পতিবার দক্ষিণ-পূর্ব মস্কোর একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারে আবারও ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। গত তিন দিনের মধ্যে এটি মস্কোর জ্বালানি...
আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) নির্বাহী বোর্ডে উত্থাপিত যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী খসড়া প্রস্তাবকে ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করেছেন ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক সংস্থায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত...
ইতিহাস কীভাবে রঙ বদলায়, তার এক চরম ও অবিশ্বাস্য নিদর্শন দেখল বিশ্ববাসী। এক সময়ের চরম শত্রু থেকে এবার পরম মিত্রে পরিণত হলো রাশিয়া এবং আফগানিস্তানের শাসক দল তালিবান। আফগানিস্তানের বর্তমান তালেবান...
চার বছর ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে সাময়িক বিরতি গত মে মাসে শেষ হওয়ার পর থেকেই রণক্ষেত্র আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার ভোরে ইউক্রেন জুড়ে সাম্প্রতিক মাসগুলোর মধ্যে অন্যতম বৃহত্তম ও ভয়াবহ...
মেটলাইফ স্টেডিয়ামের সেই স্নায়ুক্ষয়ী মহাকাব্যিক ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে গুঁড়িয়ে দেওয়ার রাতে বিশ্বমঞ্চের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সম্মানের মুকুট মাথায় তুললেন স্পেনের অধিনায়ক রদ্রি।
মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগকে পুরো ম্যাচ জুড়ে বোতলবন্দি করে স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের রাতেই টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষকের মুকুট মাথায় তুলেছেন উনাই সিমন। পুরো টুর্নামেন্টে প্রতিপক্ষের...
মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ের স্বপ্ন চূর্ণ করে স্পেনের ট্রফি উদযাপনের রাতেই বিশ্বমঞ্চে রচিত হলো আরও এক সোনালী ইতিহাস। রোববারের সেই রক্তক্ষয়ী ফাইনালে আলবিসেলেস্তেদের ১-০ গোলে হারিয়ে...
নিউ জার্সির স্টেডিয়ামে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও দীর্ঘতম মহাযজ্ঞের অবসান ঘটল এক চরম নাট্যমঞ্চের মধ্য দিয়ে। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে অতিরিক্ত সময়ের স্নায়ুক্ষয়ী লড়াইয়ে ১-০ গোলে গুঁড়িয়ে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর