আসামের কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যান ব্যাপক বন্যার সম্মুখীন হয়েছে। এই ভয়াবহ বন্যায় ছয়টি বিরল গন্ডারসহ ১৩০টির বেশি বন্যপ্রাণী মারা গেছে।
অনেক প্রাণীর মৃত্যুই হয়েছে পানিতে ডুবে। মৃত প্রাণীদের মধ্যে আছে ১১৭টি হগ হরিণ, দুটি সাম্বার হরিণসহ বহু প্রাণী।
এর আগে ২০১৭ সালের বন্যা এই উদ্যানের ৩৫০টিরও বেশি প্রাণীর মৃত্যু হয়। এই বছর বন্যায় কর্মকর্তারা ৯৭টি প্রাণী উদ্ধার করেছেন, ২৫টি প্রাণী চিকিৎসা নিচ্ছে এবং ৫২টি চিকিৎসার পর মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
কাজিরাঙ্গা পৃথিবীর বৃহত্তম এক-শিং গন্ডারের জনসংখ্যার আবাসস্থল, যেখানে ২,৪০০-র বেশি গন্ডার রয়েছে। উদ্যানটিতে বাঘ, হাতি, বন্য জল মহিষ এবং অনেক প্রজাতির পাখিও রয়েছে। আর উদ্যানের নদীগুতে বিপন্ন দক্ষিণ এশীয় ডলফিনও পাওয়া যায়।

গত সপ্তাহে, উদ্যানের কাছে একটি গ্রামের একটি বাড়ি থেকে ১৮ মাস বয়সী একটি গন্ডার শাবক উদ্ধার করা হয়েছিল। প্রচণ্ড বৃষ্টিতে পার্কের বড় অংশ এবং অনেক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। রাস্তাঘাট এবং অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে। ফসল এবং গবাদি পশুও নষ্ট হয়েছে।
এদিকে কর্মকর্তারা আরও বৃষ্টির সতর্কতা দিয়েছেন। ব্রহ্মপুত্র নদীর জলস্তর বাড়ছে, আসাম জুড়ে স্থাপন করা হয়েছে শত শত ত্রাণ শিবির।
