বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রংপুরে পুলিশের গুলিতে সবজি বিক্রেতা সাজ্জাদ হোসেন নিহতের ঘটনায় এক মাস পর আদালতে হত্যা মামলার আবেদন করেছেন তার স্ত্রী জিতু বেগম। এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ ৫১ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে অন্তত ৩০০ জনকে।
মঙ্গলবার বিকেলে রংপুর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক রাজু আহমেদ বাবুর আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে কোতোয়ালি থানাকে তদন্ত কার্যক্রম শুরুর আদেশ দেন।
অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন বকুল মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জানান, গত ১৯ জুলাই রংপুর মহানগরীর সিটি বাজার, রামমোহন মার্কেট ও কৈলাশ রঞ্জন স্কুল সড়ক এলাকায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পুলিশসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল। ওইদিন পুলিশের গুলিতে সবজি বিক্রেতা সাজ্জাদ হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।
মামলার উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেন- সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, হাসানুল হক ইনু, নাঈমুল ইসলাম খান, রাশেদ খান মেনন, মোহাম্মদ এ আরাফাত, অপু উকিল, সাবেক এমপি আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক, জাকির হোসেন সরকার, আসাদুজ্জামান বাবলু, বদরগঞ্জ পৌর মেয়র টুটুল চৌধুরী, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনসহ ৮ পুলিশ কর্মকর্তা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানসহ জেলা, মহানগর ও উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। এ ছাড়াও অজ্ঞাত ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলাটি গ্রহণ করে মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানাকে মামলা রেকর্ড করার নির্দেশ দেন আদালত। এ নিয়ে রংপুরে মোট পাঁচটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে চারটিতেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় হুকুমের আসামি করা হয়েছে।
শিবলী-হিরু-ছায়েদুর-মতিন-মনিজাসহ ৮ জনের ব্যাংক হিসাব স্থগিত