জালিয়াতির মাধ্যমে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক হয়েছিলেন সাবেক ওসি মোস্তফা গোলাম কুদ্দস, তার দুই মেয়ে, ছেলেসহ পরিবারের সাতজন। এমন তথ্য উঠে এসেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট, বিএফআইইউ’র তদন্ত প্রতিবেদনে।
কুদ্দুস ও তার পরিবারের সদস্যরা দুর্নীতি ও জালিয়াতি করে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স থেকে ৩৫৩ কোটি টাকা তছরুপ করেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করে বিএফআইইউ। এর আগে একটি টাকাও বিনিয়োগ না করে কুদ্দুসহ ৬ জনের পরিচালক হওয়া নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করেছিলো একাত্তর টেলিভিশন।
সম্প্রতি আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট বিএফআইইউ এর প্রতিবেদন বলা হয়, কোম্পানির সাড়ে ১০ কোটি টাকা ব্যাংক থেকে তুলে নিজেদের নামে জমা দেখিয়ে পরিচালক হয়েছিলেন সাবেক ওসি কুদ্দুস, তার দুই মেয়ে, ছেলেসহ মোট ১০ জন। এরই মধ্যে তহবিল তছরুপের সাথে জড়িত প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বীমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ-কে চিঠি দিয়েছে বিএফআইইউ।
এ বিষয়ে নেয়া ব্যবস্থার অগ্রগতি সম্পর্কেও সংস্থাটিকে অবহিত করতে বলা হয়েছে। বিএফআইইউর যুগ্ম-পরিচালক মোশাররফ হোসেন সই করা এ সংক্রান্ত চিঠি গত ২২ সেপ্টেম্বর আইডিআরএকে পাঠানো হয়।
সোনালী লাইফের ভাউচার, ইআরপি সফটওয়্যারের তথ্য, ব্যাংক, ফাইন্যান্স কোম্পানি, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান, সিকিউরিটিজ হাউজ ও গাড়ি বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান (ব্যাংকের মাধ্যমে) থেকে সংগ্রহ করা তথ্য বিশ্লেষণ করে তহবিল তছরুপ সংক্রান্ত প্রতিবেদন তৈরি করেছে বিএফআইইউ।
স্ত্রীসহ এনএসআই'র সাবেক মহাপরিচালকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
সাবেক সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদ গ্রেপ্তার