ভুয়া নথিতে ভারতে থাকা অবৈধবাসীদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে গত কয়েক মাস ধরেই দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে চলছে ধরপাকড়। তবে অভিযোগ উঠেছে, শুধু বাংলায় কথা বলার জন্য পশ্চিমবঙ্গের ভারতীয়দের বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে। আর এ ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় বিজেপিকে দায়ী করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিধানসভার অধিবেশনে সোমবার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, বাংলায় কথা বললেই সবাইকে ধরে ধরে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিচ্ছে বিএসএফ।
বিজেপিকে দায়ী করে মমতা বলেন, যেসব জায়গায় বিজেপির ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকার রয়েছে, সেখানেই এই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
ঘটনার শুরু, কয়েক মাস আগেই। ভুয়া নথিতে ভারতে থাকা অবৈধবাসীদের ধরপাকড় শুরু হয়েছে মহারাষ্ট্র, দিল্লি, আসামসহ বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্যে। এনিয়ে আলোচনা এবং সমালোচনাও হয়েছে যথেষ্ট।
এর মধ্যেই ভারতের মহারাষ্ট্রে কাজ করতে যাওয়া তিন পরিযায়ী শ্রমিককে বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করে প্রশাসনকে না জানিয়েই তাদের পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয় মুম্বাই পুলিশ।
পরে ঘটনাটি পশ্চিমবঙ্গ পরিযায়ী শ্রমিক উন্নয়ন পর্ষদের নজরে এলে রাজ্য প্রশাসনের উদ্যোগে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পক্ষ থেকে পতাকা বৈঠক করে ওই তিন জনকে আবারও ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়। তারা পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা বলে দাবি করা হচ্ছে।
বাংলায় কথা বলায় বাংলাদেশি সন্দেহে মহারাষ্ট্রে কাজে যাওয়া উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাগদার এক শ্রমিক দম্পতিকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর পর এখনো বাংলাদেশেই আছেন
উদ্বেগে রয়েছেন ওই দম্পতির স্বজনরা। ভারতীয় পরিচয়পত্র দেখার পরেও মহারাষ্ট্র পুলিশ তাদের বাংলাদেশে পাঠিয়েছে অভিযোগ করে দম্পতিকে ফেরানোর জন্য সরকারি হস্তক্ষেপ দাবি করেছে পরিবার।
শুধুমাত্র বাংলায় কথা বললেই বাংলাদেশি তকমা দিয়ে বাংলাদেশে পাঠানোর এ ঘটনায় উদ্বিগ্ন পরিযায়ী শ্রমিকরা। সরকারের কাছে দাবি জানান হয়রানি বন্ধের।
ট্রাম্পসহ জি৭ নেতাদের ইরানে ‘উত্তেজনা হ্রাসের’ আহ্বান
ইসরাইলের সামরিক গোয়েন্দা ও মোসাদ কার্যালয়ে হামলা