জুলাই অভ্যুত্থানের এক বছর পরেও নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি বদলায়নি- এমনটাই মনে করছেন আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী ও অংশগ্রহণকারী নারীরা। মতামত ও মেধার মূল্যায়ন না দিয়ে নারীদের প্রতীকী করে রাখা হয়েছে বলেও মনে করেন তারা।
সোমবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জুলাই উইমেনস ডে শিরোনামের এক বিশেষ আয়োজনে এসব অভিযোগ করেন আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীরা। আয়োজনে গান, চলচ্চিত্র, স্মৃতিচারণা ও ড্রোন শোর মাধ্যমে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানকে স্মরণ করা হয়।

শেষটা দিয়েই শুরু করা যাক- জুলাই অভ্যুত্থানে নারীদের ভূমিকা স্মরণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিশেষ আয়োজনের ড্রোন চিত্র প্রদর্শন এটি। জুলাইয়ের কালজয়ী সব স্লোগানের সাক্ষী হয় আকাশ। ড্রোন চিত্র প্রদশর্নীর মাধ্যমে তুলে ধরে যায় জুলাই অভ্যুত্থানের শক্তি।
তবে বক্তব্যে জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করেন বেশিরভাগ অংশগ্রহণকারীরা। বিশেষ করে অভ্যুত্থান নারীদের কোনো অবস্থান পরিবর্তন করতে পারেনি বলে মনে করছেন তারা।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ও বাংলাদেশ শিল্পকলা অ্যাকাডেমির ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠানে জুলাই পূর্ববর্তী সময়ে স্বৈরাচার সরকারের নানা অপকর্ম তুলে ধরা হয়। প্রদর্শন করা হয় নিহত বুয়েট শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদকে নিয়ে চলচ্চিত্র ইউ ফেইলড টু কিল আবরার ফাহাদ।
অনুষ্ঠানে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও জুলাই অভ্যুত্থানের লক্ষ্য পূরণে এখনও বহু পথ যেতে হবে বলে মত প্রকাশ করেন।
এ সময় দর্শক সারিতে আরও উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।
পরে সমবেত ও একক সংগীত পরিবেশন এর মধ্য দিয়ে গণঅভ্যুত্থানের ১৪ জুলাই পুনর্জাগরণের অনুষ্ঠান শেষ হয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেই জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে: আইন উপদেষ্টা
২০২৪ সালের বিপ্লব ছিলো প্রাতিষ্ঠানিক পুনর্জন্মের নির্দেশনা: প্রধান বিচারপতি