দিল্লিতে ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে কংগ্রেস সক্রিয় হতেই পশ্চিমবঙ্গে শক্তি বৃদ্ধি করতে তৎপর হয়ে উঠেছে ভারতের প্রাচীন এ দলটি। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪ আসনে একা লড়ার ঘোষণা দিয়েছে রাজ্যটির সাবেক শাসক দল।
স্থানীয় সময় সোমবার (১১ আগস্ট) ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে দিল্লির রাজপথে মিছিল করে বিজেপি বিরোধী জোটের দলগুলোর সংসদ সদস্যরা। রাহুল-প্রিয়াঙ্কা গান্ধীরা সেই মিছিলের নেতৃত্ব দেন।
পশ্চিমবঙ্গের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর চক্রবর্তীর দাবি, নির্বাচন কমিশন ও ভারতীয় জনতা পার্টি ভয় পেয়েছে। রাহুল গান্ধী যেভাবে ভুয়ো ভোটারের বিষয়টি তুলে ধরেছেন তার সুফল পাবে কংগ্রেস।
পশ্চিমবঙ্গ এমন জায়গা যেখানে ভোট এর নামে রিগিং, সন্ত্রাস, মৃতদের নামে জোর করে ভোট দেয়া হয় । ভোটারদের ভয় দেখিয়ে বুথ দখল করে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলেও স্বচ্ছ ভোট হচ্ছে না । ২০১৯ ও ২০২৪ এ কংগ্রেসের জেতার কথা কিন্তু ভোট চুরি করে কংগ্রেসকে হারানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয় সরকার সঙ্গে মিলে ভোট চুরি করছে । রাহুল গান্ধী ভোট চুরিকে এক্সপোজ করে দিয়েছে কিন্তু নির্বাচন কমিশন চুপ করে রয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব ও কর্মীরা মনে করে সিপিএমের সাথে জোট করে তাদের ক্ষতি হচ্ছে। সে কারণে কংগ্রেস একা লড়তে চাইছে। প্রদেশ কংগ্রেস
সভাপতি শুভঙ্কর চক্রবর্তী বলেন, সময় বলবে কে আমাদের সাথে আসবে কে আবার চলে যাবে । আমার ২৯৪ সিট এ আমরা চাইবো কংগ্রেস লড়ুক।
শুভঙ্কর মনে করেন, ভোট চুরিতে ভারতের নির্বাচন পদ্ধতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের মদতে বাংলায় বিরোধীরা শূন্য ।
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার মধ্যে পাঁচ সমঝোতা স্মারক ও তিন নোট বিনিময়
মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর অফিসে ড. ইউনূসকে গার্ড অব অনার প্রদান