‘ভাড়াটিয়ার হাতে জিম্মি বাড়ির মালিক’ শিরোনামে একাত্তর টেলিভিশনে প্রতিবেদন প্রচারের পর জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উপ-পরিচালক রবিউল ইসলাম ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করে মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোডের ওই বাসাটির পানির লাইন খুলে দিয়েছেন। ফলে এখন থেকে পানি পাবে টানা এক বছর ধরে বঞ্চিত পরিবারটি।
বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সংস্থাটির পক্ষ থেকে একাত্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। তবে, অভিযুক্ত মরিয়ম আক্তারকে পাওয়া না যাওয়ায় আপাতত বিদ্যুৎ সংযোগ পাচ্ছেনা ভুক্তভোগী পরিবার।
মানবাধিকার কমিশন জানিয়েছে, আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে এ বিষয়েও ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে আজ কমিশনের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) কাজী আরফান আশিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘ভাড়াটিয়ার হাতে জিম্মি বাড়ির মালিক’ -শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতি কমিশনের দৃষ্টি আকৃষ্ট হওয়ায় কমিশন একটি সুয়োমোটো অভিযোগ গ্রহণ করেছে, যার নম্বর ঢা: ২৬/২১।
বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) একাত্তর টেলিভিশনে ‘ভাড়াটিয়ার হাতে জিম্মি বাড়ির মালিক’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর তা আমলে নিয়ে তদন্তের ঘোষণা দিয়েছিল মানবাধিক কমিশনের চেয়ারম্যান নাছিমা বেগম।
চেয়ারম্যান নাছিমা বেগম একাত্তরকে জানান, কোনো জমি বা বাড়ির মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকলে তা আদালতে নিষ্পত্তি হবে। কিন্তু আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় জোর করে একটি পরিবারকে পানি ও বিদ্যুৎ থেকে বঞ্চিত করা চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। তাই কমিশন বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব সহকারে দেখবে।
তিনি আরো বলেন, তদন্তে যদি প্রমাণ হয় মরিয়ম আকতার পানি ও বিদ্যুৎ জোড় করে বন্ধ করে রেখেছেন তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা কমিশনের পক্ষ থেকেই নেয়া হবে।
প্রসঙ্গত, বাড়ির মালিক অধ্যাপক জাহিদ হোসেনকে উৎখাত করতে ফ্ল্যাটের পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেই ক্ষান্ত হননি ভাড়াটিয়া মরিয়ম সেই সঙ্গে বিদ্যুতের লাইনও বন্ধ করে দিয়েছেন এক মাস যাবত। একইসঙ্গে বাড়ির মালিকানা দাবি করে অধ্যাপক জাহিদকে বাড়ি ছাড়তে স্থানীয় প্রভাবশালীদের মাধ্যমে বাড়িওয়ালাকে হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।
একাত্তর/আরএ
