এ যেনো এক নাছোড়বান্দা প্রতারক। নাম তার সাত্তার। বাড়ি গোপালগঞ্জে। পুলিশের হাতে একাধিকবার গ্রেপ্তার হওয়া এ প্রতারক জনপ্রশাসন মন্ত্রীর পিএস পরিচয় দিয়ে মানুষের সাথে প্রতারণা করে। এটাই তার নেশা।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর অনুরোধে এর আগেও দু’বার তকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। কিন্তু জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও একই কাজ করে সাত্তার।
মাদ্রাসায় পড়ুয়া আব্দুস সাত্তার ডিবির কাছে স্বীকার করেছেন, প্রতারণা তার নেশায় পরিণত হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রীর পিএস পরিচয় দিতেই তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ জানান, সাত্তারের প্রতারণা নিয়ে স্বয়ং মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন।
হারুন অর রশিদ বলেন, একটি মোটরসাইকেল ও কয়েকটি গাড়ি আমরা জব্দ করেছি। অভিযুক্তরা স্বীকার করেছেন, প্রতারণার টাকা দিয়েই তারা এসব কিনেছেন।
হারুন জানান, অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীদের হাতে অস্ত্র দিয়ে ছবি তুলে রাখতেন। পরে তাদের ভয় দেখাতেন- যদি এই ঘটনা কাউকে জানানো হয়, তাহলে তাদের ফাঁসিয়ে দেয়া হবে।
এ ডিবি কর্মকর্তা জানান, প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারটিও পিএস টু জনপ্রশাসন মন্ত্রী হিসেবে সেভ করে রাখা হতো। যাতে কাউকে ফোন দিলে ‘ট্রু কলারে’ তার এই পরিচয় ভেসে ওঠে। দু’বার গ্রেপ্তারের পর তার দুটি ফোন নম্বর বন্ধ করে দেয়া হলেও তৃতীয়বার সে গ্রামীণের একটি ভিআইপি নাম্বার সংগ্রহ করে আবারও প্রতারণা শুরু করে।
আরও কারা প্রতারিত তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে, যোগ করেন ডিবি প্রধান।
রাজধানীতে বাবা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার