প্রকৌশলীদের দুর্নীতির বদনাম থেকে বেরিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান।
বৃহস্পতিবার জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর আয়োজিত ‘সড়ক উন্নয়নের অভিযাত্রায় স্মার্ট বাংলাদেশ: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ভূমিকা’ শীর্ষক এক সেমিনারে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, সড়ক-মহাসড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়নে প্রকৌশলীরা অনেক অবদান রাখেন, তবে তারা কেন বদনামের ভাগীদার হবেন? মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছেন, তা সার্থক করতে হবে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের প্রকৌশলীরা অনেক সাফল্যের স্বাক্ষর রাখছে। পদ্মাসেতু ও রূপপুর প্রকল্পের মত মেগাপ্রকল্পে বাংলাদেশের প্রকৌশলীরা মেধার স্বাক্ষর রেখেছে। এসব উন্নয়নে সাফল্যের সুনাম থাকলে সততার সুনাম থাকবে না কেন? শুধু প্রকৌশলী নয়, সৎ পিতামাতা হয়ে সন্তানদের লালনপালন করতে হবে এবং আদর্শবান করে গড়ে তুলতে হবে।

অনুষ্ঠানে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের মহাপরিচালক মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী সড়ক ও মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশ, বিআরটিএ, প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক কঠোর আইনের শাসন প্রয়োগের আহবান জানান।
আইনের প্রয়োগ না হলে সকল উন্নয়ন ম্লান হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করে মুনীর চৌধুরী বলেন, বিশাল বিশাল সড়ক ও মহাসড়ক নির্মাণে গুণগত মান বজায় রাখতে স্যাটেলাইট মনিটরিং ব্যবস্থা রাখতে হবে এবং প্রকৌশলীদের মেধা ও মননে সততার প্রতিফলন থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের এমডিএস মো. সিদ্দিকুর রহমানও বক্তব্য রাখেন।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মোমিনুল ইসলাম ও নাসরিন আরা শাহীন সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
শিল্প ও সংস্কৃতির উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী