ঢাকা থেকে কাঠমান্ডুগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটের শুক্রবার (১১ জুলাই) উড়াল দেওয়ার অল্প কিছুক্ষণ আগে খবর আসে, এটিতে বোমা রয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে সঙ্গে সঙ্গে ফ্লাইটের সব যাত্রীকে নামিয়ে আনা হয়। শুরু হয় বিমানবন্দরের বম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের তল্লাশি।
তল্লাশি শেষে বিমান কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হয়, ওই ফ্লাইটে বোমা থাকার খবর নেহাতই গুজব। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) এ বি এম রওশন কবীর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, কাঠমান্ডু অভিমুখী ফ্লাইটটিতে কোনো বোমা বা সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। এটি ছিল ফেক (ভুয়া) কল। যাত্রীদের পুনরায় বোর্ডিং করানো হচ্ছে। প্রক্রিয়া শেষ হলেই কাঠমান্ডুর উদ্দেশে ছেড়ে যাবে ফ্লাইটটি।
তিনি জানান, বিমান কখনোই সেফটি ও সিকিউরিটির সঙ্গে আপস করে না — আজকের ঘটনাই তার প্রমাণ।
তিনি বলেন, আজকের বিশেষ ঘটনার মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হয়েছে যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সর্বদা যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে।
এ বি এম রওশন কবীর জানান, ঢাকা থেকে কাঠমান্ডুগামী ফ্লাইট বিজি ৩৭৩-এ মোট ১৪৩ জন যাত্রী, ২ জন পাইলট এবং ৫ জন কেবিন ক্রু ছিলেন। অজ্ঞাত এক নাম্বার থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ফ্লাইটটি তৎক্ষণাৎ পর্যবেক্ষণের আওতায় রাখা হয়। যদিও ফ্লাইটের কল সাইন ও গন্তব্য আলাদা ছিলো, তবুও যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বিমান কর্তৃপক্ষ দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় যাত্রীদের অবতরণ করানো হয়। পরবর্তীতে এয়ারপোর্ট অথরিটি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথভাবে যাত্রী ও মালামাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও যাচাই-বাছাই করে সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
তিনি জানান, সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর স্থানীয় সময় রাত ৯টায় ফ্লাইট বিজি ৩৭৩ পুনরায় কাঠমান্ডু গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রা করে।
তিনি বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে সেফটি ও সিকিউরিটির ক্ষেত্রে কোনো আপস নয়। আজকের ঘটনাই প্রমাণ করে, প্রতিটি যাত্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা আমরা গ্রহণ করি এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।
পুরান ঢাকায় প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার চার