রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের এক শিশুকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিএমপির মিরপুর জোনের ডিসি মোস্তাক সরকার গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে সকালে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীর একটি বাসা থেকে এক আট বছর বয়সী শিশু কন্যার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পরিবারের অভিযোগ, শিশুটিকে ধর্ষণের পর শিরশ্ছেদ করা হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাশের ফ্ল্যাটের এক ভাড়াটিয়াকে (সোহেল রানা) অভিযুক্ত করছে পরিবার।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সোহেল রানার স্ত্রীকে আটক করে। কিন্তু পালিয়ে যান তার স্বামী। এরপর থেকে তার সন্ধানে অভিযানে নামে ডিএমপি। অবশেষে সন্ধ্যার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রী দুজনই গ্রেপ্তার হলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত শিশুর নাম লামিসা। বাবার নাম আব্দুল হান্নান মোল্লা। তারা পল্লবী থানাধীন ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের সাত নম্বর রোডের ৩৯ নম্বর বাসায় থাকেন। তাদের গ্রামের বাদি মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার শিয়ালদী গ্রামে। বাবা পেশায় রিকশার মিস্ত্রি, মা পারভিন গৃহিণী।
নিখোঁজ গৃহশিক্ষকের বস্তাবন্দী মরদেহ মিললো ছাত্রের বাড়িতেই
হামের প্রাদুর্ভাবে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় হাইকোর্টের দুই রুল