কর্ণফুলীতে এফভি মাগফিরাত নামের একটি ফিশিং জাহাজ ডুবে যাওয়ার ঘটনায় জাহাজের ক্যাপ্টেন ফারুকসহ চার জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।
এখনো পর্যন্ত ফিশিং বোট ডুবে যাওয়ার ঘটনায় পাঁচজন মারা গেছে বলে জানায় নৌ পুলিশ। এখনো নিঁখোজ রয়েছে তিনজন।
কর্ণফুলী নদী থেকে বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) সকালে তিনটি, দুপুরে একটি এবং আগের রাতে আরও একটি লাশ উদ্ধার হয়েছে বলে কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস এবং নৌ পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
কোস্টগার্ডের পূর্ব জোনের জনসংযোগ কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট আল আমিন জানান, ‘আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে, সোয়া ১১টায় এবং ১১টা ৫০ মিনিটে তিনটি লাশ আমরা উদ্ধার করেছি। বিকেল তিনটার দিকে আরও একটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আরেকটি লাশ গত (বুধবার) রাতে ভেসে ওঠার পর স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করেছেন।
নৌ পুলিশের সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া পাঁচটি লাশের মধ্যে চারটির পরিচয় পাওয়া গেছে। এরা হলেন- ট্রলারের ক্যাপ্টেন ফারুক বিন আবদুল্লাহ, সেকেন্ড অফিসার জহিরুল ইসলাম, চীফ অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম এবং ডক সদস্য রহমত। আরেকটি লাশের পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি। লাশটি এখনও কোস্টগার্ডের হেফাজতে আছে।
ওই ট্রলারের নাবিকদের মধ্যে গ্রিজার প্রদীপ চৌধুরী, ফিস মাস্টার জহির উদ্দিন এবং অজ্ঞাত আরেকজন নিখোঁজ আছেন।
নগরীর আগ্রাবাদে ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বুধবার গভীর রাতে কর্ণফুলী নদীর ব্রিজঘাট এলাকায় একজনের লাশ ভেসে আসে। সকালে নদীর পদ্মা-মেঘনা-যমুনা অয়েলসংলগ্ন অংশে এবং ডাঙারচর এলাকার আরও তিনজনের লাশ পাওয়া যায়। দুপুরে ডাঙারচর এলাকায় আরেকজনের লাশ স্রোতের সাথে ভেসে আসে। কোস্টাগর্ড ও ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে লাশগুলো উদ্ধার করেছে।
একাত্তর/এআর
