বৈরী আবহাওয়া, সার, বীজ ও কীটনাশকের মূল্যবৃদ্ধিতে আগাম ফুলকপি ও বাঁধাকপি চাষিদের মাথায় হাত। বৃষ্টিপাত আর উঞ্চ আবহাওয়ার কারণে মাঠেই বীজ শুকিয়ে মরে যাচ্ছে। পলিথিন-কাঁথা দিয়ে ঢেকেও রক্ষা পাওয়া যাচ্ছে না।
এদিকে সরকারিভাবে সারের কোন সংকট নেই বলা হলেও কৃষকরা বলছে চাহিদামত সার পাওয়া যাচ্ছে না। পেলেও দ্বিগুণ মূল্যে কিনতে হচ্ছে।
কুড়িগ্রামের সবজির আঁধার খ্যাত রাজারহাট উপজেলার ছিনাই এবং সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ীতে চাষ হচ্ছে আগাম ফুলকপি ও বাঁধা কপি। বাজারে শীতের এই সবজির চাহিদা থাকায় বেশ কয়েক বছর ধরে এখানকার কৃষকরা আগামভাবে এসব সবজি চাষ করছেন।
কিন্তু চলতি বছর অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত আর কড়া রোদের কারণে বীজতলার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তার ওপর সার ও কীটনাশকের মূল্য বৃদ্ধির কারণে অতিরিক্ত টাকা গুণতে হচ্ছে তাদের। ফলে আগাম চাষ করে এবার বিপাকে রয়েছে চাষিরা।
কুড়িগ্রামের খামার বাড়ীর অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ মো. আজিজুল ইসলাম জানান, দিনদিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে আগামভাবে ফুলকপি ও বাঁধাকপি চাষ। গত বছর ৭০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে। এবারও চাষ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি বৃষ্টির কারণে চারার ক্ষতি হয়েছে। আমাদের কাছে রাসায়নিক সার যথেষ্ট পরিমাণে মজুদ রয়েছে। তারপরও আমরা কৃষকদের জৈব সার ব্যবহার করতে বলছি। এতে সবজির গুণগত মান বৃদ্ধি পাবে।’
আরও পড়ুন: শ্যামনগরে জমি নিয়ে বিরোধে একজন নিহত, আটক দুই
উল্লেখ্য, কুড়িগ্রামে এবছর প্রায় ৯০ হেক্টর জমিতে ফুলকপি ও বাঁধাকপি আগামভাবে চাষ করা হচ্ছে বলে কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
একাত্তর/আরএ
