ঘূর্ণিঝড় রিমালে পটুয়াখালীর গ্রামীণ জনপদে বেশিরভাগ সড়কই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে নদীর তীরবর্তী এবং ইউনিয়ন কানেকটিং সড়কগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
বর্ষার আগেই এসব সড়ক সংস্কার না হলে চরম দুর্ভোগের শিকার হবেন এলাকাবাসী। অবশ্য সড়ক সংস্কারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বরাদ্দ চেয়েছে এলজিইডি।
ঘূর্ণিঝড় রিমাল চলে গেলেও ক্ষত রেখে গেছে গেছে পটুয়াখালীর গ্রামীণ জনপদে। অনেক জায়গার রাস্তাঘাট চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। কোথাও রাস্তা সম্পূর্ণ ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের ওপর এলজিইডি’র করা সড়কগুলোর ক্ষতি হয়েছে সবচেয়ে বেশি। ঝুঁকির মুখে রয়েছে অনেক ইউনিয়ন সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ সড়ক।

মৌকরন ব্রিজের নীচ থেকে বাজার হয়ে কলেজ পর্যন্ত যাওয়ার সড়কটি ধসে পড়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
লাউকাঠী স্লুইসগেট এলাকার সড়কটি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হওয়ায় সাঁকো দিয়ে রাস্তা পারাপার হচ্ছেন এলাকার মানুষ।
বর্ষা মৌসুমের আগেই সড়কগুলো সংস্কার করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বরাদ্দ চাওয়ার কথা জানিয়েছেন এলজিইডির এই কর্মকর্তা।
পটুয়াখালী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. লতিফ হোসেন বলেন, যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তারমধ্যে আমরা অনেকগুলোর সংস্কার করে ফেলেছি। যেগুলোর একটু বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেগুলো মেরামতের জন্য আমরা সদর দপ্তরে জানিয়েছি।
পটুয়াখালী এলজিইডির হিসাবে, ঘূর্ণিঝড় রিমালের জলোচ্ছ্বাস ও জলাবদ্ধতায় জেলার মোট ৪৪৯ দশমিক ১৩ কিলোমিটার পাকা ও ২৮৩ দশমিক ২০ কিলোমিটার কাঁচা সড়কের ক্ষতি হয়েছে।
সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, নতুন এলাকা প্লাবিত
সিলেটে সব নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে, বন্যা পরিস্থিতির অবনতি