বোরোর বাম্পার ফলন হলেও ন্যায্য দাম নিয়ে শঙ্কায় ভৈরবের চাষিরা। তারা অভিযোগ করেন, দাম কম থাকায় ধানের চাষ খরচই উঠছে না। এছাড়াও ধানকাটার শ্রমিক সঙ্কটে ভুগছেন হাওরের চাষিরা।
বোরোর বাম্পার ফলনে খুশি ভৈরবের হাওরের চাষিরা। হাওরের মাটি বিআর ২৮ আর ৮৮ ধানের উপযোগী হলেও এবার ২৯ ধানের চাষ হয়েছে বেশি। এবার ফলন ভালো হলেও চাষিদের অভিযোগ, বেশি দামের সেচ-সার-কীটনাশকের সাথে বাড়তি মজুরির ক্ষেত-মজুরদের কারণে চাষ খরচই উঠছে না।
মোকামে এখন ৮০০ টাকা থেকে ৮৫০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে সরু চালের ধান হাজার থেকে টাকা থেকে হাজার পঞ্চাশ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আকলিমা বেগম জানান, ১০ মে এর মধ্যে হাওরের ধান কাটা শেষ হবে। আর সে জন্যই ভৈরব উপজেলায় ৩৮টি হারভেস্টারে কাটা হচ্ছে ধান।
স্থানীয় কৃষি অফিসের তথ্য মতে, এবারের বোরো মৌসুমে ভৈরবে ছয় হাজার ৯১০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ভারত ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল করলেও রপ্তানি কমবে না: উপদেষ্টা
আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের ওপর বাংলাদেশ আর নির্ভর করে না: অর্থ উপদেষ্টা