শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন দাখিলের শেষদিনে মনোনয়নপত্র জমা দিতে না পেরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কক্ষে কান্নায় ভেঙে পড়েন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ বাদশা।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা আফরীনের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। আজ বিকেলে ৫টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল।
জানা গেছে, মনোনয়ন দাখিলের শেষদিন বিকেল ৫টা ৮ মিনিটে শেরপুর-২ আসনে এবি পার্টির প্রার্থী আব্দুল্লাহ বাদশা নালিতাবাড়ী ইউএনও কার্যালয়ে উপস্থিত হন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপস্থিত না হওয়ায় ইউএনও তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান।
এসময় আব্দুল্লাহ বাদশা ইউএনওকে দেরির কারণ ব্যাখ্যা করে মনোনয়নপত্র গ্রহণের অনুরোধ জানান। একপর্যায়ে ইউএনওর কক্ষেই তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, আমি ৫টার মধ্যেই ভেতরে আসছিলাম। রাস্তায় গাড়ির একটু সমস্যা হয়েছিল, তাই বারবার ফোনও দিয়েছি। আমাকে একটু দয়া করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা আফরীন বলেন, প্রার্থীর চোখের পানি আমি বুঝতে পারছি। তবে, জাতীয় নির্বাচনে আইনগতভাবে আমার কিছু দায়িত্ব আছে। এর বাইরে যাওয়ার কোনো এখতিয়ার আমার নেই। বিকেল ৫টার পর কোনোভাবেই মনোনয়নপত্র গ্রহণের সুযোগ নেই।
ঋণখেলাপির তালিকা থেকে মান্নার নাম বাদ দেয়ার নির্দেশ, নির্বাচনে বাধা নেই
এনসিপিতে যোগ দিলেন আসিফ মাহমুদ, অংশ নেবেন না নির্বাচনে