সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনের সংসদ সদস্য আয়নুল হকের ওপর হামলার ঘটনায় ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এতে আরও ৩০-৪০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে রায়গঞ্জ থানায় স্থানীয় বিএনপি নেতা শামীমুল হাসান বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন।
রোববার সকাল ১১টার দিকে রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসানুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, হামলার ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। যারা এ ঘটনায় জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি। তবে মামলায় অন্তর্ভুক্ত আসামিদের নাম জানতে চাইলে তিনি গ্রেপ্তারের স্বার্থে বলেননি।
এর আগে শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার ধানগড়া বাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে সংসদ সদস্য আয়নুল আঘাতপ্রাপ্ত না হলেও তার গাড়ির পেছনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
এদিকে হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে দাবিতে রাতেই বিএনপির পক্ষ থেকে বিক্ষোভ মিছিল করেন নেতাকর্মীরা।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রায়গঞ্জ উপজেলায় কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে শনিবার সন্ধ্যায় ধানগড়া বাজারে জরুরি মতবিনিময় সভা ছিল। সভাশেষে বের হওয়ার সময় সংসদ সদস্যের গাড়ির ওপর অতর্কিত হামলা হয়। পরে এমপি আয়নুল হক দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা একজনের ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া লাইভে এমপি আয়নুল হক এ হামলার জন্য জামায়াত ও এনসিপিকে দায়ী করেন।
তবে এমপির এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, হামলার ঘটনা যখন ঘটে তখন নেতাকর্মীরা আমাদের নিজস্ব কর্মসূচিতে ছিলেন। তাই এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে রাজনীতি করার কোনো সুযোগ নেই। এ ঘটনায় তারা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বলে দাবি করেন।
সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রায়গঞ্জ সার্কেল) সাইফুল ইসলাম বলেন, ওই হামলার ঘটনায় রাতেই একজন বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আমরা ঘটনার ভিডিও দেখে আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি।
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ