উৎকণ্ঠা আর বেদনায় জিম্মি নাবিক ও স্বজনদের ঈদ

আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০৪ পিএম

দূর-দূরান্ত থেকে নানা ভোগান্তি মাথায় নিয়ে মানুষ যাচ্ছেন প্রিয়জনের সাথে ঈদ উদযাপন করতে। কিন্তু এবার সোমালিয়ান জলদস্যুদের হাতে জিম্মি এমভি আবদুল্লাহর ২৩ নাবিক ও তাদের পরিবার ঈদের আনন্দ উদযাপন থেকে বঞ্চিত। বরং তাদের ঈদ কাটবে উৎকণ্ঠা আর প্রিয়জন বঞ্চিত বেদনায়।

আশেপাশের সবাই ঈদের আনন্দ শুরু করে দিলেও সোমালিয়ায় জলদস্যুদের হাতে জিম্মি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহর নাবিকদের স্বজনদের যেন ঈদ নেই। প্রিয়জন ফিরে আসার অপেক্ষায় তারা।

জিম্মি নাবিকদের সুস্থ শরীরে ফিরে পেতে সরকার ও জাহাজের মালিকপক্ষের দিকে তাকিয়ে আছেন তাদের স্বজনরা।

অপহৃত জাহাজের ক্যাপ্টেন আতিকের মা জানালেন, কিছুক্ষণ পরপর কান্নাকাটি করতে করতে জ্ঞান হারাচ্ছেন তার ছেলের বৌ। এমন অসহনীয় বেদনা প্রকাশের ভাষা নেই।

ফায়ারম্যান মোশাররফের মা কাঁদতে কাঁদতে জাহাজের কর্তৃপক্ষ ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুতি জানাচ্ছেন তার ছেলেকে উদ্ধারের ব্যবস্থা করার।

ওয়েলম্যান আইনুলের ভাই জানালেন, তাদের মা ছেলের উৎকণ্ঠায় অসুস্থ। তাই সবার জন্য ঈদ আনন্দ বয়ে নিয়ে এলেও তাদের কোনো আনন্দ নেই।

অবশ্য নাবিক ও জাহাজ মুক্তির জন্য সোমালিয়ান জলদস্যুদের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে জাহাজটির মালিকপক্ষ। শিগগিরই ইতিবাচক ফলাফল আশা করছেন তারা।

কেএসআরএম গ্রুপের মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম জানান, বিষয়টি নির্ভর করছে জলদস্যুদের মর্জির ওপরে। তাই তারা চাইলেই যে নাবিকদের মুক্ত করে আনতে পারছেন, বিষয়টি এমন নয়। তবে তারা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

অভিজ্ঞ নাবিক মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি ক্যাপ্টেন আনাম চৌধুরী জানালেন, জলদস্যুদের হাত থেকে নাবিক ও জাহাজ উদ্ধার একটি জটিল প্রক্রিয়া। আলোচনা ও লেনদেনের অনেকগুলো ধাপ পার করতে হবে। তাই ঈদ উদযাপনের চেয়ে জিম্মিদের সুস্থভাবে ফিরে আসাটাই গুরুত্বপূর্ণ।

মোজাম্বিক থেকে কয়লা নিয়ে দুবাই যাওয়ার পথে ২৩ নাবিকসহ কেএসআরএম গ্রুপের জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ অপহরণ করে সোমালিয়ার জলদস্যুরা। ২০১২ সালেও একই প্রতিষ্ঠানের আরেকটি জাহাজ অপহরণের ১০০ দিন পর মুক্তিপণের বিনিময়ে ফিরে আসেন নাবিকরা।

 

একাত্তর/জো
গভীর বঙ্গোপসাগরে জলদস্যুদের হামলায় দুই জেলে গুলিবিদ্ধসহ ১৪ জেলে আহত হয়েছেন। হামলার প্রায় ২০ ঘণ্টা পর নিরাপদে ফেরার পর তারা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। 
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের মরাভোলা এলাকা থেকে ৩০ জেলেকে মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণ করেছে বনদস্যুরা। গত বুধ ও বৃহস্পতিবার দুইদিনে অপহরণ করা এসব জেলেদের বনের মধ্যে আটকে রাখা হয়েছে।
পূর্ব সুন্দরবনের টিয়ারচর এলাকায় জেলেদের ওপর হামলা চালিয়ে একজনকে অপহরণ করেছে বনদস্যু শরীফ বাহিনী। দস্যুরা অপহৃত জেলের জন্য মুক্তিপণ দাবি করেছে। 
সুন্দরবনে হান্নান বাহিনীর প্রধান হান্নান শেখসহ সাত জলদস্যুকে অস্ত্রসহ আটক করেছেন কোস্ট গার্ড। 
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করার সময় সৌদি আরবের জাতীয় নৌপরিবহন সংস্থা 'বাহরি'র মালিকানাধীন একটি তেলবাহী সুপারট্যাঙ্কারে ইরানি সামরিক বাহিনী হামলা চালিয়েছে। সোমবার রাতের...
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার তীব্র সামরিক সংঘাতের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই চার বছরের মধ্যে প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্য সফরে মিশর পৌঁছেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বুধবার মিশরের রাজধানী কায়রোতে...
নিচ্ছক কোনো আনুষ্ঠিকতার নির্বাচন নয়, বরং তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের অংশগ্রহণ ও জবাবদিহি নিশ্চিতে স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী...
মাত্র এক দশক আগে ২০১৫ সালের ৭.৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর আন্তর্জাতিক বিভিন্ন উদ্ধারকারী সংস্থা ত্রাণ সহায়তায় ও ক্ষতি মূল্যায়নে যে ড্রোন প্রথম নেপালে নিয়ে এসেছিল, বুধবার স্থানীয় নেপালি...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর