ঝিনাইদহে ‘পরকীয়া সম্পর্কে’র অভিযোগ তুলে এক নারীর (৩৫) মাথার চুল কেটে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে সদর উপজেলার পাগলাকানাই এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদি হয়ে বৃহস্পতিবার রাতেই ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় একই পরিবারের চার সদস্যসহ মোট পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই আসামিরা সবাই পলাতক রয়েছেন।
স্থানীয় ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগীর নারীর সঙ্গে একজনের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার বিকেলে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীর বাড়িতে প্রবেশ করেন।
এ সময় তারা পরকীয়ার অভিযোগ তুলে ওই নারীর ওপর চড়াও হন। এসময় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, জোর করে তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয় এবং শরীরে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। ভুক্তভোগী নারীর চিৎকারে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
পরে বৃহস্পতিবার রাতেই এ ঘটনায় ওই নারী বাদি হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। তিনি এই অমানবিক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আসাদুজ্জামান জানান, চুল কেটে মারধরের এ ঘটনায় জড়িত পাঁচ আসামিই পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।
