সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ বন্ধ ঘোষণা করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। রোববার কলেজের অধ্যক্ষ সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, অনিবার্য কারণবশত ২৫ ও ২৬ নভেম্বর কলেজের সব শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
এদিকে বন্ধের নোটিশ উপেক্ষা করেই সোমবার সকাল থেকেই কলেজ গেটে অবস্থান নিয়ে সোহরাওয়ার্দী ও কবি নজরুলসহ সাত কলেজের হাজারও শিক্ষার্থীরা ডেমরায় অবস্থিত মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজে তাণ্ডব চালিয়েছে। এ ঘটনায় মোল্লা কলেজের ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে।
ন্যাশনাল মেডিকেলে ভুল চিকিৎসায় মোল্লা কলেজের শিক্ষার্থী মৃত্যুর ঘটনায় রোববার ন্যাশনাল মেডিকেল, কবি নজরুল ও সোহরাওয়ার্দী কলেজে হামলা চালায় মোল্লা কলেজের নেতৃত্বে ৩৫ কলেজের শিক্ষার্থীরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত অনার্স প্রথম বর্ষের পরীক্ষা চলার সময় ‘সুপার সানডে’ ঘোষণা দিয়ে নজরুল কলেজ, সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও ন্যাশনাল মেডিকেলে অতর্কিত হামলা চালানো হয়। রোববারে হামলার ঘটনায় সোহরাওয়ার্দী কলেজের নিজস্ব গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স, প্রাইভেট কারসহ পাঁচটি যানবাহন ভাঙচুর হয়।
পরের দিন সোমবার দুপুর ১২টার সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও কবি নজরুল সরকারি কলেজের কয়েকশ’ শিক্ষার্থী মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। তারা কলেজ ভবন ভাঙচুর ও প্রতিষ্ঠান থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।
পরে তিন কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়া যাত্রাবাড়ীতে ছড়িয়ে পড়লে সেখানে রণক্ষেত্র তৈরি হয়। এ সময় ৫০ জনের বেশি আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২০ জন এবং যাত্রাবাড়ী ও মাতুয়াইলের স্থানীয় ক্লিনিকে কমপক্ষে ৩৩ জন চিকিৎসা নিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ নিয়ে যা বললেন উপদেষ্টা আসিফ