একজন ব্যক্তি সাধারণত প্রতিদিন কমপক্ষে একশ' চুল হারায়। যদি এর চেয়ে বেশি হারায় তবে তাকে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। চরম চুল পড়া থেকে মাথায় টাক পড়ে যেতে পারে।
অ্যালোপেসিয়া চুলের একটি ভয়ানক সমস্যা। তাই আমাদের অবশ্যই অ্যালোপেসিয়া কী তা জানতে হবে। 'অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা' হলো এক ধরনের চুল পড়ার সমস্যা যা প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশু সবার হতে পারে। এটি একটি অটোইমিউন রোগ বলে মনে করা হয় যা প্রদাহ এবং চুলের ক্ষতির কারণ হয়। তবে অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা চুল এবং নখকে প্রভাবিত করা ছাড়া শরীরের সাথে অন্য কোনও সমস্যা তৈরি করে না।
ছোট টাকের চিহ্ন কি অ্যালোপেসিয়ার লক্ষণ?
মাথার ত্বকে এক বা একাধিক বৃত্তাকার, মসৃণ টাকের চিহ্নগুলো অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটার প্রাথমিক ও আকস্মিক লক্ষণ। এর কারণে মাথার সমস্ত চুল উঠে যেতে পারে। এই সমস্যা হলে চুল সাধারণত কয়েক মাসের মধ্যে আবার গজায়। তবে এটি সূক্ষ্মভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে।
নখেও অ্যালোপেসিয়ার লক্ষণ দেখাতে পারে
আমাদের আঙুল এবং পায়ের নখগুলোও অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে। ফলে, নখে সাদা ছোপ দেখা যেতে পারে এবং নখে খসখসে বোধ হতে পারে।
কাদের অ্যালোপেসিয়ার ঝুঁকি রয়েছে?
বিভিন্ন বয়সের মানুষের এই রোগ হতে পারে। অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা সাধারণত মানুষের জীবনের দুই পর্যায়ে হয়ে থাকে, শৈশবে ও যৌবনে। অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা, অন্যান্য অটোইমিউন রোগের মতো বংশগত কারণেও হতে পারে। যাদের থাইরয়েড, মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস, ভিটিলিগো, রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস, প্রদাহজনক অন্ত্রের রোগ, টাইপ ১ ডায়াবেটিস এবং সেলিয়াক রোগগুলো রয়েছে, তারা অ্যালোপেসিয়ার উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে থাকে।
