পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন। শনিবার রাতেই দেশটির সংসদে খানের ভাগ্যনির্ধারণী অধিবেশন শুরুর কথা রয়েছে। তবে এক্ষেত্রে অধিবেশন শুরু না করার কৌশল অবলম্বন করছেন তিনি। যদিও রাতের মধ্যে অনাস্থা ভোট সম্পন্ন না হলে মধ্যরাতে সুপ্রিম কোর্ট খুলতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।
রাতের মধ্যে অনাস্থা ভোট সম্পন্ন না হলে সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে ঠিক কি সিদ্ধান্ত আসবে তা এখনও নিশ্চিত নয়।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, ইমরান খানের দল 'তেহরিক-ই-ইনসাফ' কার্যকরভাবে এই মাসের শুরুতে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। ফলে ব্যাপক চাপে রয়েছেন ইমরান।
এদিকে পিটিআই মুখপাত্র আব্দুল সামাদ ইয়াকুব স্বীকার করেছেন যে, ইমরান খান এবং পিটিআই এক্ষেত্রে 'বিলম্বিত কৌশল' ব্যবহার করছেন।
সামাদ বলেন, রাজনীতি যদি এই স্তরে নেমে যায়, আমাদের অবশ্যই সেই স্তরে খেলতে হবে। এই মুহূর্তে কোনো নৈতিকতা অবশিষ্ট নেই।
অন্যদিকে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান শনিবার স্থানীয় সময় রাত ৯টায় (বাংলাদেশ সময় ১০টায়) মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক ডেকেছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ বৈঠক থেকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে। বদলে যেতে পারে অনেক কিছুই। শনিবার রাতেই জানা যাবে সিদ্ধান্ত।
আরও পড়ুন: ইমরানকে ভারতে চলে যেতে বললেন মারিয়ম
সবশেষ গত রোববার ইমরানের উপর আনা অনাস্থা প্রস্তাবকে ‘অসাংবিধানিক’ বর্ণনা করে ভোট বাতিল করেন পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার কাসিম সুরি। ইমরানের আহ্বানে দেশটির প্রেসিডেন্ট বর্তমান আইন সভা ভেঙ্গে দেন এবং ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের ডাক দেন। কিন্তু পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট ওই সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে আইন সভা পুনরুজ্জীবিত করার রায় দেয় এবং অনাস্থা প্রস্তাবে ভোট গ্রহণের জন্য শনিবার দিন ধার্য করে দেয়।
একাত্তর/আরবিএস
