উত্তর সিরিয়ায় অভিযান চালিয়ে জিহাদি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) এক সিনিয়র নেতাকে আটক করেছে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী।
বুধবার (১৫ জুন) রাতে তাকে আটক করা হয় বলে জোট বাহিনীর এক বিবৃতিতে জানানো হয়। খবর বিবিসি।
বিবৃতিতে বলা হয়, আটক ব্যক্তি বোমা তৈরিতে বেশ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এবং ইসলামিক স্টেটের বিভিন্ন হামলার কাজে তিনি সহযোগিতা করে থাকেন।
ওয়াশিংটন পোস্ট মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, ধরা পড়া ইসলামিক স্টেট নেতার নাম আহমেদ কুর্দি এবং তিনি ওয়ালি নামেও পরিচিত। তাকে রাকার গভর্নরও বলা হয়।
একটি মনিটরিং গ্রুপ বলছে, দুটি হেলিকপ্টারে করে সৈন্যদেরকে আল-হামাইরা গ্রামে নামানো হয়, যেটি সিরিয়ার বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত আলেপ্পো প্রদেশের তুর্কি সীমান্তের কাছে অবস্থিত।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংগঠন 'সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস' জানায়, সৈন্যদের সেখানে নামানোর পর গ্রামবাসীদের সঙ্গে তাদের সাত মিনিট ধরে সংঘর্ষ হয়।
এই সেনাদল পরে পূর্ব আলেপ্পোর কোবানি অঞ্চলে একটি ঘাঁটিতে গিয়ে নামে। এই অঞ্চলটি নিয়ন্ত্রণ করে তুরস্কের সমর্থনপুষ্ট একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
আরও পড়ুন: বাসি রুটিতে বেঁচে আছে আফগানরা
সিরিয়ার আল-হামাইরা নামের এই গ্রামের একজন বাসিন্দা মোহাম্মদ ইউসেফ বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, সৈন্যরা গ্রামের একপ্রান্তে একটি বাড়িতে হানা দেয়, যেখানে তাদের ধারণা আলেপ্পোর কিছু মানুষ থাকতো।
জোট বাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়, এই অভিযানের খুঁটিনাটি খুবই সতর্কতার সাথে পরিকল্পনা করা হয় যাতে করে কোন বেসামরিক মানুষের ক্ষতি না হয়, কোন ধরনের অপ্রয়োজনীয় প্রাণহানি এড়ানো যায়।
ইসলামিক স্টেট যখন ২০১৪ সালে ইরাক এবং সিরিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে তাদের খেলাফত ঘোষণা করে, তখন আলেপ্পোর পূর্বদিকের শহর রাকা ছিল কার্যত তাদের খেলাফতের রাজধানী।
একাত্তর/এসজে
