চলতি বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে ও আগামী বছরের প্রথম প্রান্তিকে অর্থাৎ শুরুর দিকে, মূলত জ্বালানি ও শক্তি সংকটের কারণে সঙ্কুচিত হতে পারে জার্মানির অর্থনীতি।
জার্মানির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডয়েচে বুন্দেস ব্যাংক গতকাল সোমবার এক মাসিক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দিয়েছে বলে খবর ডয়েচে ভেলের।
বুন্দেস ব্যাংক-এর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি, জ্বালানিশক্তি সরবরাহের অনিশ্চয়তা এবং জ্বালানির উচ্চমূল্য শুধু শিল্পকেই প্রভাবিত করবে না, পাশপাশি দেশটির পরিষেবা শিল্প ও দৈনন্দিন গৃহস্থালিকেও প্রভাবিত করবে।
প্রতিবেদন অনুসারে, আগস্টে জার্মানির মুদ্রাস্ফীতির হার বেড়ে ৭.৯ শতাংশ হয়েছে। এ হার পরের কয়েক মাসে ১০ শতাংশেরও উপরে হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জার্মান অর্থনীতির জন্য মন্দার লক্ষণগুলো বহুগুণে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানটি বলছে, সেপ্টেম্বরের শুরুতে রাশিয়া নর্ড স্ট্রিম গ্যাস পাইপলাইন বন্ধ করার পরে জার্মানিতে গ্যাসের মূল্য বেড়েই চলেছে।
আরও পড়ুন: বন্যাদুর্গত পাকিস্তানের পাশে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সতর্ক করেছে যে, আগামী মাসে মূল্যস্ফীতি দুই অঙ্কে পৌঁছতে পারে কারণ পরিষেবা এবং জ্বালানির দাম বাড়ছে। আগস্টে, জার্মানির মূল্যস্ফীতির হার ছিল প্রায় ৮ শতাংশ।
তবে জার্মান সরকারের বরাবরের অভিযোগ, রাশিয়া তার জ্বালানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। ফলে খরচ বাড়ছে উৎপাদনের।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এরইমধ্যে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে দেশটি। গ্যাস সংকট দূর করতে চালু করা হচ্ছে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো।
উল্লেখ্য, জ্বালানির ক্ষেত্রে প্রায় পুরোপুরি রাশিয়ার উপর নির্ভরশীল দেশটি। জার্মানির মোট জ্বালানির ৫০ শতাংশেরও বেশি আসে রাশিয়া থেকে।
একাত্তর/আরবিএস
