তুরস্কের উত্তরাঞ্চলের বার্তিন প্রদেশে একটি কয়লা খনিতে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪১ হয়েছে। আহত হয়েছে অন্তত আরও ১১ জন।
এদিকে বিস্ফোরণের ২০ ঘন্টারও বেশি সময় পরে কর্তৃপক্ষ উদ্ধার অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা করেছে।
এর আগে শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) কৃষ্ণসাগর উপকূলে আমাসরাতে মাটির প্রায় ৩০০ মিটার গভীরে এ বিস্ফোরণ ঘটে। তখন খনিতে কাজ করছিলেন ১১০ জনের মতো শ্রমিক।
তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেয়মান সোয়লু জানিয়েছিলেন, শুক্রবার রাতে বিস্ফোরণের পর খনি থেকে ৫৮ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
আটকে পড়াদের জীবিত উদ্ধারে উদ্ধরকর্মীরা রাতভর কাজ করেছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
এদিকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান অন্যান্য মন্ত্রীদের সাথে বারতিন প্রদেশের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং নিশ্চিত করেছেন যে, শেষ নিখোঁজ ব্যক্তির মৃতদেহ পাওয়া গেছে। ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে উদ্ধার অভিযান।

আরও পড়ুন: ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তুর্কি প্রসিকিউটররা এরইমধ্যে বিস্ফোরণের কারণ খুঁজতে তদন্ত শুরু করেছে।
তবে তুরস্কের জ্বালানিমন্ত্রী জানিয়েছেন, 'ফায়ারড্যাম্পের' কারণে এ বিস্ফোরণ ঘটে থাকতে পারে। কয়লা খনিতে মিথেন গ্যাস এক ধরনের বিস্ফোরক মিশ্রণ তৈরি করলে ফায়ারড্যাম্প সৃষ্টি হয়।
তুরস্কের সবচেয়ে ভয়াবহ কয়লা খনি দুর্ঘটনা ঘটে ২০১৪ সালে। সেবার সোমা শহরে একটি কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে ৩০১ জনের মৃত্যু হয়।
একাত্তর/আরবিএস
