টানা ২০ দিনের বেশি বৃষ্টিহীন পশ্চিম বাংলার নদীয়ায় কাঠফাটা রোদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করে বিদ্রূপের শিকার হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের এক বিধায়ক।
তীব্র দাবদাহে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন মানুষ। গত তিন দিনে হিট স্ট্রোকে অন্তত চারজনের মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। একাধিক জেলায় তাপমাত্রা ছুঁয়েছে ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘর।
এ অবস্থায় পশ্চিমবঙ্গের নদীয়ার করিমপুরের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক বিমলেন্দু সিংহ রায় কম্বল বিতরণ করে প্রশংসার বদলে পাচ্ছেন বিদ্রূপ আর কটাক্ষ। খবর: আনন্দবাজার।
তীব্র তাপদাহে বহু জায়গায় পানি সংকট, তার ওপর লোডশেডিং। এই পরিস্থিতির পানির বন্দোবস্ত না করে কম্বল বিতরণ করেছেন তিনি। এরপর থেকেই তার প্রতি চলছে বিরোধীদের সমালোচনা আর কটাক্ষ। মুখ টিপে হাসছেন সাধারণ মানুষ। মানুষের পানি সংকট দূর করার পদক্ষেপ না নিয়ে এভাবে কম্বল বিতরণ করায় বিধায়কের বোধবুদ্ধি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।
অবশ্য সেসব আমলে নিতে নারাজ বিমলেন্দু বিধায়ক। কম্বল বিতরণের মধ্যে কোনো ভুল দেখছেন না তিনি। সামনে ঈদ, আর সেই উপলক্ষেই নাকি গরীব মানুষের মধ্যে অন্যান্য জামাকাপড়সহ কম্বলও বিতরণ করেছেন বলে দাবি তার।
তিনি বলেন, শনিবার ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন জায়গায় বস্ত্র বিতরণ করছি। ধুতি-কাপড়ের সঙ্গে বেশ কিছু কম্বল মজুত ছিল। যদি সাধারণ মানুষের কাজে লাগে সেজন্য সেগুলোও দিয়েছিলাম।
তার বক্তব্য, এখন কাজে না লাগলেও পরবর্তীতে সেই কম্বল কাজে লাগবেই সাধারণ মানুষের। সেই কথা ভেবেই নাকি তিনি সেই কম্বলগুলো গরমের মধ্যে বিতরণ করে দেন।
আরও পড়ুন: এ বছরই জনসংখ্যায় চীনকে ছাড়িয়ে যাবে ভারত
বিমলেন্দু সিংহ রায় বলেন, একটা ছোট বিষয় নিয়ে কেন এত বিতর্ক হচ্ছে বুঝতে পারছি না। এটা অন্যভাবে বিশ্লেষণ করার প্রয়োজন রয়েছে। শুধু কম্বলের কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু সেখানে যে বাচ্চাদের জামা, প্যান্ট, বড়দের লুঙ্গি বিতরণ করা হল, তা নিয়ে কেউ কোনও কথা বলছে না।
একাত্তর/জো
