সামরিক অভ্যুত্থানের পর প্রতিবেশী পাঁচ দেশের সাথে স্থল ও আকাশসীমা পুনরায় খুলে দিয়েছে নাইজার।
সেনা অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে প্রায় এক সপ্তাহ আগে দেশটি তার সীমান্ত বন্ধ করে দেয়। এই সেনা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহামেদ বাজুম ক্ষমতাচ্যুত হন।
মঙ্গলবার একজন অভ্যুত্থানকারী জাতীয় টেলিভিশনে সীমান্ত পুনরায় খুলে দেয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেন, আলজেরিয়া, বুরকিনা ফাসো, লিবিয়া, মালি ও শাদের সাথে আজ থেকে সীমান্ত পুনরায় খুলে দেয়া হয়েছে।
ফরাসী যাত্রী নিয়ে প্যারিসের একটি ফ্লাইট উড্ডয়নের কয়েকঘণ্টা পর এবং সাংবিধানিক আদেশ পুনরুদ্ধারে পশ্চিম আফ্রিকান দেশগুলোর একটি জোটের সময়সীমা বেঁধে দেয়ার পাঁচদিন আগে এ ঘোষণা দেয়া হয়।
এদিকে, দেশটি থেকে ইউরোপীয় নাগরিকদের সরিয়ে নেয়ার কাজ শুরু হয়েছে। ২৬২ জন ফরাসি নাগরিকদের নিয়ে প্রথম ফ্লাইটটি প্যারিসে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
নাইজারে গত সপ্তাহের অভ্যুত্থানের পর, ফরাসি দূতাবাসে হামলা এবং আকাশসীমা বন্ধ হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
তবে, ফ্রান্স জানিয়েছে, জঙ্গিদের মোকাবেলার অংশ হিসাবে সেখানে অবস্থান করা প্রায় এক হাজার ফরাসি সৈন্যকে প্রত্যাবাসনের কোনো পরিকল্পনা নেই তাদের। ২০২২ সালে নাইজারে এক হাজার ২০০ ফরাসি নাগরিক অবস্থান করছিলেন।
আরও পড়ুন: তুরস্কে সুইডেন দূতাবাসে সশস্ত্র হামলা
নাইজার থেকে নাগরিকদেরকে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেছে ইতালিও। বুধবার ৮৭ জনকে রোমে পৌঁছে দেওয়া হয়।
এদিকে বুরকিনা ফাসো ও মালির সামরিক সরকার বলছে, নাইজারে বাইরের কোনও সামরিক হস্তক্ষেপ হলে তা হবে যুদ্ধের শামিল।
একাত্তর/এসজে
