ওয়াগনার প্রধান ইয়েভগেনি প্রিগোজিনের মৃত্যুর ২৪ ঘণ্টা পর এ নিয়ে মুখ খুললেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি বলেছেন, ভাড়াটে গোষ্ঠীর প্রধান একজন ‘প্রতিভাবান ব্যক্তি’ যিনি ‘জীবনে গুরুতর ভুল করেছিলেন’।
বুধবার সন্ধ্যায় মস্কোর উত্তর-পশ্চিম দিকে বিধ্বস্ত হওয়া উড়োজাহাজটির ১০ আরোহীর পরিবারের প্রতিও সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। তবে তিনি স্পষ্টভাবে প্রিগোজিনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা থেকে বিরত ছিলেন।
উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হওয়ার মুহূর্ত থেকে, কী কারণে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটেছে এবং যাত্রীদের মধ্যে আসলেই প্রিগোজিন ছিলেন কিনা তা নিয়ে উন্মত্ত জল্পনা শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার এক ব্রিফিংয়ে পেন্টাগনের একজন মুখপাত্র বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করে যে ওয়াগনার প্রধান সম্ভবত এই দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।
টিভের অঞ্চলে দুর্ঘটনাস্থলের কাছাকাছি গ্রামবাসীরা বলেছেন, তারা আকাশ থেকে একটি বিমান পড়ার আগে একটি বিকট বিস্ফোরণ শুনেছিলেন।
রাশিয়ান গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উড়োজাহাজটিতে বোমা পাচার করা হচ্ছিলো কিনা তা তদন্ত করা হচ্ছে।
বিবিসির মার্কিন অংশীদার সিবিএস নিউজকে একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, সম্ভবত উড়োজাহাজটিতে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে।
প্রিগোজিনের সাথে সম্পৃক্ত টেলিগ্রাম চ্যানেল গ্রে জোনের আরেকটি তত্ত্ব বলছে, জেটটি রাশিয়ান বিমান বিধ্বংসী বাহিনী দ্বারা গুলি করা হয়েছিল। এটি নিশ্চিত করা যায়নি, এবং বৃহস্পতিবার পেন্টাগন বলেছে যে এর সপক্ষে কোনও তথ্য নেই।
মস্কোর শেরেমেতিয়েভো বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড স্টাফকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে। এখান থেকেই উড়োজাহাজটি সেন্ট পিটার্সবার্গের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলো।
আরও পড়ুন:
রাশিয়ার ওয়াগনার ভাড়াটে গোষ্ঠীর নেতা প্রিগোজিন একসময় পুতিনের অনুগত হিসাবে পরিচিত ছিলেন। তবে গত জুনে রাশিয়ার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেয়ার পর অনেকেই তার ভাগ্য নিয়ে সন্দিহান ছিলেন।
গ্রেপ্তারের বিশ মিনিট পর মুক্ত হলেন ট্রাম্প