অবশেষে জার্মানির হামবুর্গ বিমানবন্দরের নাটকীয় জিম্মি পরিস্থিতির অবসান হয়েছে। ১৮ ঘণ্টা পর দূর হয়েছে বিমানবন্দরের অচলাবস্থা। তবে বিমানবন্দরটির কার্যক্রম শুরু হলেও বেশ কিছু ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে। দীর্ঘ নাটকীয় অবস্থার অবসান ঘটিয়ে পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে।
সেখানে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ৩৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি তার সঙ্গে থাকা শিশুটিকে নিয়ে একটি উড়োজাহাজের নিচে গিয়ে গাড়ি পার্ক করে। এরপর ঘনটাস্থল ঘিরে ফেলে পুলিশ। এ সময় ওই ব্যক্তি দুই বার বাতাসে গুলি ছুড়েছে ও গাড়ি থেকে জ্বলন্ত বোতল ছুড়ে মারে। পুলিশ জানিয়েছে, সন্তানের দায়িত্ব পাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে।
এই পরিস্থিতি সামলা দিতে ব্যাপক সংখ্যক পুলিশ এবং জার্মানির বিশেষ বাহিনী এসডাব্লিওএটি-এর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। জিম্মি পরিস্থিতি অবসান ঘটাতে ব্যক্তির সঙ্গে আলোচনায় নিয়ে আসা হয় বিশেষজ্ঞ এক ব্যক্তিকে।
শনিবার রাতে নিজের চার বছর কন্যা শিশুকে নিয়ে বিমানবন্দরে ঢোকেন ওই ব্যাক্তি। এরপর শিশুকে জিম্মি করেন তিনি। এ ঘটনায় প্রায় ১৮ ঘণ্টা ধরে বিমানবন্দর বন্ধ ছিলো। জানা গেছে, অস্ত্রধারী ওই ব্যক্তি গাড়িতে নিজের মেয়েকে নিয়ে গেট পার হয়ে বিমানবন্দরে ঢুকে পড়ার পর পুলিশ তার সাথে আলোচনা শুরু করে।
জার্মান কর্তৃপক্ষের ধারণা, সন্তান কার কাছে থাকবে, সে বিষয়ে সঙ্গীর সঙ্গে বিবাদে লিপ্ত ছিলেন সেই ব্যক্তি। শনিবার তার স্ত্রী পুলিশকে সম্ভাব্য ‘শিশু অপহরণের’ বিষয়ে অবহিত করেন এবং এর কিছুক্ষণ পরই সে ব্যক্তি গাড়ি নিয়ে বিমানবন্দরে প্রবেশ করেন।
পুলিশ জানায়, প্রবেশের সময় ওই ব্যক্তি শূন্যে দুই রাউন্ড গুলি এবং এক ধরনের মলটোভ ককটেল ছুড়ে মারে। এরপর টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজের পাশে গিয়ে অবস্থান নেয়। এই ঘটনায় অন্তত ৩ হাজার ২০০ যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েন। তাছাড়া ৬০টিরও বেশি উড়ান বাতিল করা হয়েছে।
দিল্লিতে বায়ুদূষণ চরমে, জরুরি বৈঠকে কর্তারা