পেরুতে স্বর্ণের খনি থেকে ১৩ জন শ্রমিককে অপহরণের পর তাদের হত্যা করেছে অপরাধী চক্র। খনি শ্রমিকদের খুব কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করেছে অপহরণকারীরা।
মর্মান্তিক এই ঘটনার পর পেরুর প্রেসিডেন্ট দিনা বোলুয়ার্তে সোমবার উত্তরাঞ্চলীয় একটি জেলায় কারফিউ জারি এবং সোনার খনি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছেন। জারি করা হয়েছে জরুরি অবস্থা।
পেরুর রাজধানী লিমা থেকে প্রায় ৫৬০ মাইল উত্তরে পাটাজ প্রদেশে অবস্থিত পোডেরোসা কোম্পানির মালিকানাধীন স্বর্ণের খনির সুড়ঙ্গের ভেতরে জিম্মি করে রেখেছিলো এক সপ্তাহ।
এ সময় শ্রমিকদের পরিবারের কাছে হুমকিমূলক বার্তা পাঠায় তারা। ঘটনার পর পোডেরোসা কোম্পানি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অবৈধ খনি শ্রমিকরাই এই হত্রাকাণ্ডে জড়িত।
আর এর জন্য দায়ী সরকার ও নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যর্থতা। গত কয়েক বছরে পোডেরোসার পরিচালিত একাধিক খনি থেকে শ্রমিকদের অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে কর্মীদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে।
সোমবার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য প্রেসিডেন্ট বোলুয়ার্তে বেশ কয়েকটি নতুন পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেছেন। ঘোষণার মধ্যে রয়েছে সারা রাত কারফিউ এবং পাটাজে একটি সামরিক ঘাঁটি স্থাপন।
তিনি বলেন, সেনাবাহিনী পোডেরোসা পরিচালিত খনির ‘সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ নেবে এবং সেনা মোতায়েনের অনুমতি দেয়ার জন্য ৩০ দিনের জন্য প্রদেশে সব খনির কার্যক্রম সাময়িক ভাবে বন্ধ করবে।
চলতি বছরের মার্চেও পাটাজ জেলায় ঠিকাদারদের ওপর হামলা চালায় একদল সন্ত্রাসী। সেখানে দুইজন নিহত হয়। একই মাসে বেশ কয়েকটি খনি সাইটে হামলার চেষ্টা চালানো হয়।
লিমা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত একটি প্রধান স্বর্ণ খনির সংস্থা পোডেরোসা সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অবৈধ খনির সাথে যুক্ত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
এবার গাজা দখলে নেয়ার পরিকল্পনা করছে ইসরাইল