ইতালির প্রসিকিউটররা শনিবার জানিয়েছেন, সে দেশে অবস্থিত বিভিন্ন দাতব্য সংস্থার মাধ্যমে ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাসকে অর্থায়নের সন্দেহে তারা ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছেন। মাফিয়া ও সন্ত্রাসবাদ বিরোধী ইউনিটগুলোর সমন্বিত এক অভিযানে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
উত্তর ইতালির শহর জেনোয়ার প্রসিকিউটররা এক বিবৃতিতে জানান, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে ইইউ কর্তৃক সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত হামাসের ‘সদস্য হওয়া এবং তাদের অর্থায়ন করার’ অভিযোগ আনা হয়েছে।
প্রসিকিউটররা আরও জানান, অভিযুক্তরা গত দুই বছরে মানবিক কাজের নামে সংগৃহীত প্রায় ৭০ লাখ ইউরো (৮২.৪ লাখ ডলার) হামাস-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযান চলার সময় পুলিশ ৮০ লাখ ইউরোর বেশি মূল্যের সম্পদ জব্দ করেছে।
সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের তথ্য পাওয়ার পর এই তদন্ত শুরু হয়। পরবর্তীতে ইউরোপীয় বিচার বিভাগীয় সংস্থা ‘ইউরোজাস্ট’-এর মাধ্যমে নেদারল্যান্ডস এবং ইইউ-ভুক্ত অন্যান্য দেশের কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় তদন্তের পরিধি বাড়ানো হয়।
ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এই ‘অত্যন্ত জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ অভিযান’ সফল করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে তথাকথিত দাতব্য সংস্থার আড়ালে হামাসকে অর্থায়নের বিষয়টি উন্মোচিত হয়েছে।
এই বিষয়ে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইসরাইলের প্রতি মেলোনির অকুণ্ঠ সমর্থনের কারণে ইতালিতে বারবার বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়েছে।
গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, সেখানে ইসরাইলি হামলায় ৭১ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের দক্ষিণাঞ্চলে হামাসের নেতৃত্বাধীন হামলার পর এই যুদ্ধের সূত্রপাত হয়, যাতে ইসরাইলি পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রায় ১,২০০ জন নিহত হয়েছিলেন।
দ্বিতীয় দফা যুদ্ধবিরতিতে থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া, শান্ত সীমান্ত